মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিনা অনুমতিতে সরকারী রাস্তার গাছ কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার নয়াঁগাও গ্রামের আব্দুল গনি মিয়া পুত্র হযরত আলী (৪৫) ও রোসন আলী (৪০)। এমনকি সরকারী রাস্তার গাছ কেটে রাতের আঁধারে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২-৩ দিন পূর্বে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের কংশপুরা-নয়াঁগাও মাদবরের হাট সড়কের পাঁচটি কড়ই গাছ কেটে পার্শ্ববর্তী নয়াঁগাও বাজারের মায়ের দোয়া স-মিলের মালিক একই গ্রামের আমির হোসেনে ছেলে হযরত (২৮) এর কাছে রাতের আঁধারে বিক্রি করে দেয় হযরত আলী ও তার ভাই রোসন আলী।
কর্তনকৃত ওই পাঁচটি গাছের আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হযরত আলী বলেন, আমি গাছ বিক্রি করি নাই। আমার ছোট ভাই রোসন আলী চেয়ারম্যান সাহেবের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গাছ বিক্রি করে বিদেশ চলে গেছে।
লতব্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম সোহরাব হোসেন বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে আমি ও আমার পরিষদের কোন সদস্য জানিনা এবং আমি কাউকে কোন গাছ কাটার অনুমতি দেই নাই। নদীর পারের গাছ সেফটি ওয়ালের চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, এই রাস্তাটি টিকিয়ে রাখার জন্য প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় করে নদীর পাড়ে সেফটি ওয়াল নির্মাণ করেছি। তাই এই গাছ যারা কেটেছে তারা বড় অন্যায় কাজ করেছে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।
উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল লতিফ জানান, গাছ গুলো আমার বন বিভাগের আওতায় পরে নাই। এ বিষয় গুলো ভূমি কর্মকর্তা দেখবেন।
বার্তা বাজার/এসজে