শনিবার সকালে উপজেলার ভাদিয়ালী গ্রামের রোকনুজ্জামানের স্ত্রী আমেনা খাতুন জানান, তার বাড়ীতে ৩ মেয়ে সন্তান রয়েছে। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রতিবেশী আলাউদ্দীনের ছেলে কামাল হোসেন গোপনে তার বাড়ীতে রান্না ঘরে প্রবেশ করে। রান্না ঘরে শব্দ শুনে তিনি দ্রুত এসে দেখেন যে কামাল হোসেন রান্না ঘরের মধ্যে। আমাকে দেখে সে কিংকর্তব্যবিমু হয়ে চাচীর পরিবর্তে ভাবী ডাকা শুরু করে। এসময় তার মোবাইল পড়ে গেছে বলে দ্রুত চলে যায। বিষয়টি তিনি ওই সময় কাউকে কিছু বলেনি। আমার মেয়ে তাফরিন সুলতানা (১৫) রাতের খাবার খাওয়ার সময় ভাত তিতা লাগে কেন, এমন কথা জিজ্ঞাসা করিলে তখন আমার সন্দেহ হয়। এর পরে আমি দ্রুত রান্না ঘরের মিটসেফ খুলে দেখি খাবারের উপর সাদা সাদা কি যেন পড়ে আছে। এর মধ্যে আমার মেয়ে কাপতে কাপতে অচেতন হয়ে পড়ে। এসময় তাকে স্থানীদের সহযোগিতায় দ্রুত উদ্ধার করে কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।
এবিষয়ে মেয়ের মা আমেনা খাতুন বাদী হয়ে শনিবার সকালে কামাল হোসেনকে বিবাদী করে কলারোয়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এদিকে কলারোয়া হাসপাতালের চিকিৎসক তানভীর সিদ্দিকী জানান, ওই মেয়েটিকে রাতে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে ভর্তি করে তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, তিনি বাড়ীতে নেই, এবিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ফোনে ফোন দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার তন্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
বার্তা বাজার/এম.সি