চীনের হুবেই প্রদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে এখনো সুনির্দিষ্ট পথ বের করতে পারেনি সরকার। তবে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভাইরাস ভীতি ও দুঃসহ যন্ত্রণা কমাতে এখনই দেশে ফিরেয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে সরকারকে চার্টার্ড বিমান বা সর্বোত্তম বিকল্প খুঁজে বের করার পরামর্শ তাদের।
সংক্রমন এড়াতে গত ১ ফেব্রুয়ারি ৩১২ বাংলাদেশিকে চীনের উহান শহর থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর তাদের কোয়ারান্টাইন করে রাখা হয় আশকোনা হজ ক্যাম্পে। এদিকে আশকোনা ক্যাম্পে নানা সমস্যার কথা জেনেও চীনে আটকে থাকা ১৭১ বাংলাদেশি দেশে ফেরার সম্মতি দিয়েছেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হলেও তীব্র খাদ্য সঙ্কট ও বদ্ধ জীবনে দুঃসহ যন্ত্রণার কথা উঠে এসেছে তাদের বক্তব্যে।
চীনের হুবেই প্রদেশে আটকে পড়া শিক্ষার্থী দ্বীপায়ন রায় বলেন, আমরা ঘরের বাইরে যেতে পারি না। আমাদের খাদ্যের সমস্যা। পানির সমস্যা। আমরা এখানে মানবেতর জীবন যাপন করছি। এখানে আর কতদিন বন্দী থাকব। করোনা ভাইরাসে না মারা গেলেও দুঃশ্চিন্তায় হয়তো শেষ হয়ে যাব।
জেনে বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার তাগিদ ভাইরাস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলামের। তিনি বলেন, একটা শিক্ষার্থী গোটা হলে এখন একা আছে। তাদের খাবার শেষ হয়ে গেছে। তাদের কলের পানি খেতে হচ্ছে। এটাতে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের যদি ব্যবস্থা থাকে তাহলে নিয়ে আসা হবে না কেন!
৩১২ জনকে আনতে যাওয়া বিমানের পাইলট ও ক্রদের অন্যান্য দেশ ভিসা দিতে রাজি না হওয়ায় বিকল্প ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বার্তাবাজার/এমকে