করোনাভাইরাস আক্রমণের ফলে গত ২৫ জানুয়ারি থেকে চীনে রপ্তানি হচ্ছে না সাতক্ষীরার কাঁকড়া ও কুঁচে। ফলে কাঁকড়া ও কুঁচে আহরণ থেকে রপ্তানির সঙ্গে সম্পক্ত কয়েক হাজার মানুষ বিপাকে পড়েছেন।
সরেজমিনে শুক্রবার সকালে পারুলিয়া বাজারে গেলে হেমন্ত এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হেমন্ত দলুই বলেন, ছয় বছর ধরে তিনি পারুলিয়া বাজারে কাঁকড়া ও কুঁচে কেনা বেচা করে থাকেন। কালীগঞ্জের উজিরপুর, দেবহাটার গাজীরহাট, বদরতলা, কুলিয়া পারলিয়াসহ বিভিন্ন বাজার থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা এ বাজারে কুঁচে ও কাঁকড়া বিক্রি করে থাকেন। এ বাজারে তিনি একাই কুঁচে কিনলেও কাঁকড়া কেনেন অনেক।
সাতক্ষীরা জেলা কাঁকড়া ব্যবসায়ি সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব মন্ডল বলেন, ঢাকার কয়েকটি কোম্পানীতে তারা কাঁকড়া ও কুঁচে সরবরাহ করে থাকেন। ওই সব কোম্পানী মূলত চীনে ও উত্তর কোরিয়াতে মাল পাঠায়। গত ২৫ জানুয়ারি থেকে চীনে কাঁকড়া ও কুঁচে রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় সাতক্ষীরার ব্যবসায়িদের প্রায় ১০ কোটি টাকা আটকে পড়েছে ঢাকার ব্যবসায়িদের কাছে। এতে অনেকে দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলার জ্যোষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরজ্জামান বলেন, ২৫ জানুয়ারি থেকে কাঁকড়া ও কুঁচে চীন রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। সারা বাংলাদেশের ব্যবসায়িরা চীনের আমদানিকারকদের কাছে ১৫০ কোটি টাকা পাবে কাঁকড়া ও কুঁচের দাম বাবদ। ফলে একদিকে ব্যবসা বন্ধ অপরদিকে পাওনা টাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন আড়ৎদাররা।
বার্তা বাজার/এসজে