ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন চীন থেকে আসা প্রায় ৫শ’ যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর আগের চেয়ে যাত্রী সংখ্যা কমেছে। তিনটি থার্মাল স্ক্যানারে পালাক্রমে ২৪ ঘন্টাই চলছে এই পরীক্ষা। তবে চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ব্যবস্থা কার্যকর না থাকায় উদ্বেগ জানিয়েছেন এভিয়েশন বিশ্লেষকরা।
কয়েকটি ফ্লাইটে দিনে ৪ থেকে ৫শ’ যাত্রী চীন থেকে আসছেন বাংলাদেশে। তবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর যাত্রী আসার হার বাড়লেও বাংলাদেশিদের চীনে যাওয়ার সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কেউ যাতে দেশে ঢুকতে না পারে এজন্য ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বসানো তিনটি থার্মাল স্ক্যানারে নিয়মিত চলছে যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়ে কিছু অভিযোগও আছে কোন কোন যাত্রীর।
বিমানবন্দরে ১৭ জন ডাক্তারের একটি দল দিনরাত যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করছে। একসঙ্গে একাধিক ফ্লাইট আসলে চাপ বাড়ে বলে জানান তারা।
সরাসরি চীন এবং অন্য দেশ হয়ে আসা যাত্রী ও ক্রুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে বলেও জানালেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্র“প ক্যাপ্টেন তৌহিদ উল আহসান।
করোনা ভাইরাস সনাক্তে চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও থার্মাল স্ক্যানার বসানোর তাগিদ দিলেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।
সব বিমানবন্দরে নতুন প্রযুক্তির স্ক্যানার বসানোর কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারি পরিচালক আয়েশা আকতার।
গত দুই সপ্তাহে চীন থেকে আসা সাড়ে সাত হাজার যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানায় তারা।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি