গত বছরে বিজিএমইএ’র আওতাধীন ৬৩টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এতে ৩২ হাজারেরও বেশি শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। তবে বিকেএমইএ’র অধীনে থাকা কোনো কারখানা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়নি।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একদশ সংসদের ষষ্ঠ অধিবেশনে আজ টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা এমপি বেগম শামসুন নাহারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী আরও জানান, বিকেএমই’র অধীনে থাকা ২২শ’ কারখানার মধ্যে ৯২০টি সদস্যপদ নবায়ন করেছে। সদস্যপদ নবায়ন না করায় ১ হাজার ২৮০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রপ্তানি আদেশ পাওয়া সাপেক্ষে কারখানাসমূহ পুনরায় সক্রিয় হতে পারবে।
তিনি আরও জানান, চাকরি হারানো শ্রমিকগণের নতুন কর্মসংস্থানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান কর্মসূচির আওতায় এই কর্মরত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এর অধীনে তৈরি পোশাক খাতে ভবিষ্যতে কাজ করবে এমন জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টি পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস