বিগত ২ বছরে সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি, পুলিশ ও শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ প্রায় ২০ কোটি ২৫ লাখ টাকা,৮ লাখ ইউএস ডলার,৮ লাখ রুপি ও ৭০ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড জব্দ করেছে।
তবে ধারণা করা হচ্ছে পাচার হয়েছে এর কয়েকগুণ। অভিযোগ আছে,প্রশাসনের নাকের ডগায় চেকপোস্টের বৈধ ও অবৈধ মানিচেঞ্জার ব্যবসায়ীগন পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মাধ্যমে সীমান্ত পথে হুন্ডি পাচার করছে। কেউ কেউ আটক হলেও পর্দার আড়ালে থেকে যায় প্রকৃত চোরাকারবারীরা।
বেনাপোল আর্ন্তজাতিক চেকপোস্ট এলাকায় ভারতের সাথে ৫ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অর্থ পাচার হয়ে থাকে।বিশেষ করে ব্যাংক হিসাব বিবরণী দিয়ে ভিসা পাওয়া পাসপোর্টধারী যাত্রীরা ভারতে যাওয়ার সময় হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ নিয়ে যান।
এছাড়া চোরাচালানকারীরা হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করে থাকে। যশোর ৪৯ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সেলিম রেজা জানান, বেনাপোল সীমান্ত থেকে ভারতের সীমান্তের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় হুন্ডি পাচারকারীরা বেনাপোল সীমান্ত ব্যবহার করে থাকে। এক্ষেত্রে বিজিবি সতর্ক রয়েছে ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধিসহ আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ২ বছরে ১৬ কোটি টাকা জব্দ করা হয়েছে।নাভারণ সার্কেলের (এএসপি) জুয়েল ইমরান জানান, শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানায় গত ২ বছরে অর্থপাচার আইনে ৯৭ জনকে আসামি করে ৭১ টি মামলা হয়েছে।এ সময় ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা,৮ লাখ ইউএস ডলার,৮ লাখ রুপি ও ৭০ হাজার বৃটিশ পাউন্ড জব্দ করা হয়েছে।অর্থ পাচার প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বার্তা বাজার/ এসজে