মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছাড়াই চলছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগ।
ইউজিসির অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও খোলা হয়েছে বিভাগ এবং বর্তমানে সে বিভাগে অধ্যয়ণরত আছেন তিন ব্যাচে প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী। ইউজিসির অনুমোদন না থাকায় শিক্ষাজীবন নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা ৷ অনুমোদনের দাবিতে তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ৷
জানা যায়, ইউজিসির কোনো অনুমোদন ছাড়াই ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার অ্যান্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ (বিলওয়াবস) ইনস্টিটিউটের অধীনে ইতিহাস বিভাগ চালু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। কিন্তু এই ইনস্টিটিউটের অধীনে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির কার্যক্রম চালানোর বিধান নেই। ফলে নিয়মের বাইরে গিয়ে চলছে ইতিহাস বিভাগের কার্যক্রম।
এ ব্যাপারে ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কারিমুলহক জানান, ‘ বিগত দুই বছর ধরে ইতিহাস বিভাগে অধ্যায়ন করে আসলেও জানতাম না যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন নেই। পূর্বে আমরা জানতাম আমরা বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ (বিলওয়াবস) ইনস্টিটিউটের অধীনে অধ্যায়নরত রয়েছি কিন্তু সাবেক উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনের সময়ে জানতে পারি যে, আমাদের বিভাগটি ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত নয়। এমতাবস্থায় আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত।
এই শিক্ষার্থী আরো বলেন যে, ‘২ ফেব্রুয়ারী থেকে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য সকল ক্লাস বর্জন করেছি এবং ৬ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে অনুমোদন প্রদান না করা হলে ক্লাসে না ফিরে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, ‘আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ইউজিসির সঙ্গে মিটিং আছে। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হবে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন নিয়ে।’
বার্তা বাজার/এসজে