রাজশাহী অঞ্চলের উপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রার পারদ ক্রমেই নামছে তলানিতে। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এ মৌসুমের এখন পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অধিদফতর।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক ফেরদৌস আলম জানান, চলতি বছরের শুরু থেকেই রাজশাহীতে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৬ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ এবং সন্ধ্যা ৬ টায় ৬৮ শতাংশ। এটিই এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানান তিনি।
এর আগে রোববার সর্বনিম্ন তাপামত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরো বলেন, চলতি মাসের ৭ তারিখের দিকে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে। বর্তমান শৈত্যপ্রবাহটা মাঝারি থেকে আরো ভারী হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার দিনভর সূর্যের দেখা মিললেও বইছে হিমেল হাওয়া। ফলে উত্তরের এ জনপদের জীবনযাত্রা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। হিমেল হাওয়া বইয়ে যাওয়ার কারণে বিকেল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে শীতে তীব্রতা। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাড়ছে শীতজনিত রোগ।
এদিকে রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম ফেরদৌস জানান, ঠান্ডা কমে গিয়ে আবার নতুন ভাবে শীত জেঁকে বসার কারণে অনেক নবজাতক নিউমোনিয়াসহ সর্দি-কাশি, হাঁপানি, শীত জনিত কারণে ডাইরিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোরে শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, কোল্ড ডায়রিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন।
তিনি আরো বলেন, আউটডোরে প্রতিদিন ৩৫০-৪০০ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছেন এছাড়াও ইনডোরে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ শিশু ও শ্বাসকষ্ট জনিত রোগি।
এ সময় সবাইকে সর্তক করে বলেন, শিশুদের হালকা গরম পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন এবং সব সময় শীতের কাপড় পড়ে থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন।
বার্তা বাজার/ এসজে / ডব্লিও.এস