এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দিয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০ মিনিট পর প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে পরীক্ষার্থীদের সময় বৃদ্ধি করে পরীক্ষা নিয়েছে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ২০ মিনিট পার হলেও পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের বাইরে না আসলে অভিভাবকরা চিন্তায় পড়ে যায়। পরে পরীক্ষার্থীরা বের হলে জানা যায় প্রকৃত ঘটনা।
পরীক্ষাকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ভুলবশত কয়েকটি রুমে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার সময় ২০১৮ সালের ‘গ’ সেটের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়।
পরীক্ষার্থীরা জানায়, বাংলা প্রথম পত্রের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র পেয়ে উত্তর লেখা শুরু করলে, পরে দেখা যায় এটি ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র। এতে প্রায় ২০ মিনিট অতিবাহিত হয়। স্যারদের বলার পরে নতুন করে ২০২০ সালের প্রশ্নপত্র দেয়। এতে অনেক কক্ষের পরীক্ষার্থীরা সময় বেশি পেলেও অনেকে সময় বেশি পায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। তাই বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অনেকের ফেল করার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব সালেহা খাতুন বলেন, অসাবধানতাবশতঃ কয়েকটি কক্ষে ২০১৮ সালের প্রশ্নপ্রত্র গেলে তা দ্রুত সমাধান করা হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে জানান, ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রের কেউ আমাকে জানায়নি। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারবো।
প্রসঙ্গত, এর আগে সোমবার ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দুটি কক্ষের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদেরও ২০১৮ সালের অনিয়মিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ে মাধ্যমিকে ২৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯,৮৩৯। দাখিলে ৭টি কেন্দ্রে ৩,১২৯ ও কারিগরিতে ৯টি কেন্দ্রে ২১৩১ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে মাধ্যমিকে ৫৩ পরিক্ষার্থী পরিক্ষায় অনুপস্থিত ছিলো। আর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১,৮৩৯ জন।
বার্তা বাজার/ এসজে