নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিগঞ্জে র্যাব-১১ এর অভিযানে অননুমোদিত প্যাকেটজত ভারতীয় মহিষের মাংস বিক্রির দায়ে বিহারী ক্যাম্প থেকে ০১ জনকে হাতে নাতে গ্রেফতার করার সময় একটি কাভার্ড ভ্যানে মোট ৬৫০ কেজি মহিষের মাংস উদ্ধার ও কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়। গত ২ ফেব্রয়ারী রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকা থেকে মাংস উদ্ধার করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় র্যাব-১১ সিপিসি কোম্পানী কমান্ডার জসিম উদ্দিন চৌধুরী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
র্যাব জানায়, গদ ০২ ফেব্রয়ারি রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকায় গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত র্যাব-১১ এর অভিযানে অননুমোদিত প্যাকেটজত ভারতীয় মহিষের মাংস বিক্রির দায়ে বিহারী ক্যাম্প থেকে ০১ জনকে হাতে নাতে গ্রেফতার করার সময় একটি কাভার্ড ভ্যানে রক্ষিত ১০ কেজির ২০টি, ১৮ কেজির ২২টি এবং ২০ কেজির ০৩ টি ধরনের প্যাকেটে আনুমানিক ৬৫০ কেজি মহিষের মাংস ও কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সপ্তাহে ০৩ দিন ঢাকার তেজগাও হতে অননুমোদিত ভাবে প্যাকেটজাত মাংসগুলো নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট ও স্থানীয় কশাই’র কাছে বিক্রি করে যা তারা হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট ও সাধারণ লোকজনের কাছে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে। হিমায়িত ও প্যাকেটজাত মাংসগুলো বিক্রির জন্য আইনানুযায়ী প্রাণিসম্পদ কর্তৃক কোয়ারান্টাইন সার্টিফিকেট থাকার প্রযোজন তা তাদের নেই।
আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারেক ট্রেডার্স ও ইগলু এবং প্যাকেটের গায়ে তারেক ট্রেডার্স ও ইগলু লেখা থাকলেও উক্ত কোম্পানীর অনূকুলে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের কোয়ারান্টাইন সার্টিফিকেট তারা দেখাতে পারেনি।
হিমায়িত মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের আইনানুযায়ী প্যাকেটজাত করা হতে ভোক্তার কাছে পৌঁছা পর্যন্ত যে ফ্রিজিং চেইন রাখার বিধান থাকলেও তা অমান্য করে তারা নন-ফ্রিজিং গাড়িতে নিয়ে আসে যার ফলে মাংসের গুনগতমান নষ্ট হয়ে যায় এবং এই মাংস জনস্বাস্থ্যের পক্ষে ব্যাপক ক্ষতিকর বলে প্রতীয়মান হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন মোঃ সামির’ নাকে একজন ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
বার্তা বাজার/এসজে