চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে সুতার বদলে আবারো পাওয়া গেলো বালু ভর্তি কন্টেইনার।
সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ডে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি করে দেখা যায় চীন থেকে সোহারা ফ্যাশন লিমিটেডের নামে যেখানে ৪৯ হাজার ৬৯৭ ডলারের সুতা আসার কথা ছিল। সেখানে এসেছে বালু ভর্তি কন্টেইনার।
কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার সহকারী কমিশনার নুর এ হাসনা সানজিদা অনুসুয়া জানান, সোহারা ফ্যাশনের নামে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দুইটি বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয় গত ২২ জানুয়ারি। এক্সিম ব্যাংকের ইনভয়েস ভ্যালু যথাক্রমে ২৫ হাজার ৫০৫ ডলার এবং ২৪ হাজার ১৯২ ডলার। এ প্রতিষ্ঠানের ঘোষণা ছিল পলিয়েস্টার সূতা। কিন্তু ৪০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনারটিতে পাওয়া গেছে বালুর বস্তা। এর আগে গত ২৪ জানুয়ারিও একই আমদানিকারকের আরেকটি কনটেইনারে বালু পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, বালুগুলোর নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষা করা হবে। এরপর কাস্টম আইনে মানি লন্ডারিং মামলা হবে বলে জানান।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে এই ধরণের পণ্যের কারসাজির ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। গত ২৬ জানুয়ারী (রোববার) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে ‘বাংলা ভিনা’ নামক এক আমদানিকারক সংযুক্ত আরব আমিরাত হতে এক কন্টেইনার শুকনো মাশরুম আনার কথা ছিল। যেখানে মাশরুমের পরিবর্তে পাওয়া গেছে ১ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজারের বিদেশি সিগারেটের বিশাল চালান।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং ‘জাকার্তা ব্রিজ নামের একটি জাহাজে আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের কনটেইনারে ২৬ হাজার ৭৬০ কেজি স্ক্র্যাপের পরিবর্তে এসেছে সম্পূর্ণ HLXU3186035 নম্বরের খালি কন্টেইনার।
তার আগে গত ২২ অক্টোবর ২০১৯ ইং কোতোয়ালি থানাধীন ৮২৯ জুবিলি রোডের আনজুমান শপিং কমপ্লেক্সের মেসার্স সৈয়দ ট্রেডার্সের নামে ৩০ লাখ টাকার চালানে স্ট্যাপল ফাইবার বা তুলার পরিবর্তে এসেছে ৯১৬ ব্যাগ ভর্তি ২০ টন বালু।
বার্তা বাজার/ এসজে