এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা আগামীকাল সোমবার থেকে সারাদেশে একসাথে শুরু হচ্ছে। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় কুষ্টিয়া জেলায় এবার মোট পরীক্ষার্থী ২৭ হাজার ২শ জন।
গত বছর এ সংখ্যা ছিলো ৩০ হাজার ৫২৩ জন। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে ৩ হাজার ৩২৩ জন। অন্যদিকে গত বছর থেকে এ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে দাখিল পরীক্ষার্থী সংখ্যা। কুষ্টিয়ায় গত বছরের ন্যায় এবারো ৪৯টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৪৯ টি কেন্দ্র বাদে এসএসসি পরীক্ষার জন্য আরো ২১টি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ০২ ভেন্যু কেন্দ্র রয়েছে।
এবার কুষ্টিয়ায় ৬টি উপজেলায় মোট এসএসসি পরীক্ষার্থী ২১ হাজার ৯৪৫ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিলো ২৫ হাজার ১২৯ জন। ৫০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৯টি মূল কেন্দ্রে ও ২১টি ভেন্যু কেন্দ্র। কুষ্টিয়ায় ৬টি উপজেলায় মোট দাখিল পরীক্ষার্থী ২ হাজার ১৩৪ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিলো ২ হাজার ১০৪ জন। ৮টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কুষ্টিয়ায় ৬টি উপজেলায় মোট এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থী ৩ হাজার ১২১ জন।
গত বছর এ সংখ্যা ছিলো ৩ হাজার ২৯০ জন। ১২টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আরো ২টি ভেন্যু কেন্দ্র রয়েছে। সোমবার যশোর বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, সহজ বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা রয়েছে। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে বাংলা-২ সৃজনশীল পরীক্ষা রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ করতে সব মহলের সার্বিক সহযোগিতা জেলা কুষ্টিয়া প্রশাসকের পক্ষ থেকে। এছাড়া জেলার প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য।
এ বিষয়ে গত ২৮ জানুয়ারী কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পরবে না, পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কোন পরীক্ষার্থীকে নকলরত অবস্থায় পাওয়া গেলে সাথে সাথে সেই পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হবে।
কোন শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী দায়িত্বরত অবস্থায় কোন পরীক্ষার্থীকে নকল করতে সহায়তা করলে সেই শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কোন পরীক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে ঐ কক্ষে নিয়োজিত সকল কক্ষ পরিদর্শক যৌথভাবে দায়ী থাকবেন। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রের আশেপাশে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ফটোষ্ট্যাট মেশিনের দোকান বন্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বার্তা বাজার/এসজে