পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দরিনাড়িচারা মৌজার রহমান কলনীর পিছনে খাস জমি (অর্পিত সম্পত্তি) ৩৭ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছে প্রায় ৩০ টি পরিবার। এখানে রয়েছে পাকা, আধাপাকা সব ঘরবাড়ি।
সরজমিনে গিয়ে , দেখা গেছে এ সকল ঘরবাড়ির মালিক’রা অতি দারিদ্রতার নিচে ৩৭ বছর ধরে বসবাস করছে। সেখানে ৩টি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারও রয়েছে। তারা নির্বিঘ্নে ৩৭ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলো। এক শ্রেণীর টাউট বাটপাররা ১৬৬ শতক জায়গা দখল করার চেষ্টা করছে।
জমিটির মালিক মাতাদীন আগরওয়ালা ১৯৪৮ সালে তার অন্যান্য জমি বিক্রি করে দেশ বিভাজন হওয়ার আগে ভারত গমন করেন। কিন্তু হঠাৎ করে ৯ বছর আগে একটি কুচক্রি মহল বিক্রেতাকে জীবিত এবং পৌরসভার ভোটার বানিয়ে ভুয়া দলিলের মাধ্যেমে রেজিষ্ট্রি করার পায়তারা করেন। এবং এই ভুয়া দলিল দিয়ে পাবনা জজ কোর্টে ভূমিদস্যুরা নিজেদের নামে আদালত থেকে রায় করে ডিগ্রি নেওয়ার চেষ্টা করে।
কিন্তু উক্ত জমি মাতাদীন আগরওয়ালা কাহারও কাছে বিক্রয় করেনি এই মর্মে বিবাদীগন পৌরসভার ভোটারতালিকা এবং জন্মীবন্ধন তালিকায় তার নাম নেই বলে জানতে পারে। পরবর্তীতে পৌরসভা মাতাদীন আগরওয়ালা, পিতা ঃ ভোদরমল আগারওয়ালা সাং একই ভারত গমণ করিয়াছে এবং তাদের ভোটার তালিকায় নাম এবং জন্মণীবন্ধন নাই বলে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেন।
যার নম্বরঃ ১৯৪৭৭৬২৫০০৮০৭১৩৮৩। বরই পরিতাপের বিষয় উক্ত জমির উপর ৩০টি পরিবার সরকারের কাছ থেকে নিয়মানুযায়ী লিজ গ্রহণপূর্বক বসতবাড়ি নির্মাণ করে অতিকষ্টে বসবাস করিতেছে। কিন্তু প্রতারক রাজু আহম্মেদ দিং ভুয়া দলিলের মাধ্যেমে মালিকানা দাবি করছে।
এ ব্যাপারে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রতারকদের উপযুক্তো শাস্তি কামনা করেন এলাকাবাসি এক মানববন্ধন করেন।
বার্তাবাজার/এমকে