ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি কম। ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ায় অলস সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট এবং নির্বাচনী কর্মকর্তারা। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে দুই সিটিতে একযোগে ভোট শুরু হলেও বেলা একটার পরেও ভোট পড়েছে খুবই কম।
সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি কম দেখার পর নির্বাচনী কর্মকর্তা থেকে শুরু করে প্রার্থীরাও বলেছিলেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও বলেছিলেন বেলা বাড়লে ভোটারের উপস্থিতিও বাড়বে। কিন্তু বেলা সোয়া একটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল কেন্দ্রে দেখা গেছে, চুপচাপ বসে আছেন পোলিং এজেন্ট এবং প্রিসাইডিং অফিসাররা। কার্জন হল এবং বিজ্ঞান অনুষদের ভূ-তত্ব বিভাগ- সব মিলিয়ে সেখানে ৩ হাজার ৩শ’ ভোটার ভোট দেয়ার কথা। কার্জন হলে রয়েছে ৭টি বুথ; সেখানে ২২ ভোটারের ভোট দেয়ার কথা। সেখানকার একটি বুথে দেখা যায়, ৩১৪ ভোটারের মধ্যে মাত্র ২১টি ভোট পড়েছে।
কোন কেন্দ্রে কতগুলো ভোট পড়ছে তা ইভিএম প্রযুক্তির কল্যাণে সহজেই দেখা যাচ্ছে। দুই সিটির বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে প্রতিবেদকরা যে তথ্য দিয়েছেন তাতে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ৫ থেকে ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
কেন্দ্রগুলোর আশপাশের পরিস্থিতি একেবারেই শান্ত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ব্যাপক কড়াকড়ি রয়েছে। সংঘর্ষ সহিংসতাও নেই বললেই চলে। ভোটকেন্দ্রগুলোর বাইরে অবশ্য আওয়ামী লীগের কিছু কিছু নেতাকর্মী দেখা গেছে।
কার্জন হল কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তবে প্রিসাইডিং অফিসার শামসুল আলম জানিয়েছেন, তিনি সকাল থেকেই সেখানে আছেন। কিন্তু বিএনপি প্রার্থীর কোনো এজেন্টকে সেখানে আসতেই দেখেননি। এজেন্ট বের করে দেয়ার ব্যাপারে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে যে বিবৃতি গণমাধ্যমে দেয়া হয়েছে সেটি তাকে জাননো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস