নারায়নগঞ্জের ৫ নং গুদারাঘাট এলাকায় মাহাবুর রহমান (৩৬) নামের এক জাহাজ শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণির ওই (ইঞ্জিন চালক) মাহাবুর রহমানের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামে। সে ওই এলাকার মৃত. আমির হোসেনের পুত্র।
এ ব্যাপারে অজ্ঞাত ঠিকানায় ৯ জনকে সন্দেহ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন তার বড়ভাই মো. হাফিজুর রহমান। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন, কবির হোসেন, অলিয়ার রহমান, সবুজ শিকদার, জাকির হোসেন চুন্নু,নয়ন, রায়হান, সাইফুল ইসলাম, লিটন হোসেন ও রিপন প্রধান। এদের সবার পিতা অজ্ঞাত এবং ঠিকানাও অজানা।
থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১২টা ৩০ মিনিটে মাহাবুরের মুঠোফোন থেকে বড় ভাই হাফিজুরকে ফোন করে জানানো হয়, মাহাবুবের শরীর খারাপ। খবর পেয়ে বড় ভাই দ্রুত তার বাসায় গিয়ে অজ্ঞান ও বিবস্ত্র অবস্থায় মাহাবুবকে দেখতে পায়, তখন স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এসময় সাথে থাকা বিবাদীগণ বলেন সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।
পরবর্তীতে মাহাবুরের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ী আলফাডাঙ্গায় এনে গোসল করাতে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তার পরিবারের লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিহতের মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে নিহতের পরিবার গুদারাঘাটে খবর নিয়ে জানাতে পারে, অভিযোগকারীদের নিকট মাহাবুর তিন লক্ষ টাকা পেতেন। সেই টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল বৃহস্পতিবার সকালে। ওই দিন সকালে টাকার পরিবর্তে মাহাবুরের লাশ নিয়ে বাড়ি আসে পরিবারের লোকজন।
এবিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, ‘লাশ ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে, রির্পোট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।’
বার্তা বাজার/এম.সি