সমাবর্তন শেষে শিক্ষার্থীদের অভিনব কায়দায় বেকারত্বের প্রতিবাদ

দেশে দিন দিন যেমন শিক্ষিতের হার বাড়ছে। তেমনি বাড়ছে শিক্ষিত বেকারত্বের হার। এরই মধ্যে প্রতি বছরই প্রায় পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনের মধ্যে দিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি ঘটছে।

এর মধ্যে প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৩ বছর পর গত সোমবার (২৭ জানুয়ারী) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।সমাবর্তন শেষে শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনের পোষাক পরেই বেকারত্বের বিরূদ্ধে কাঠ মিস্ত্রী, চা দোকান, সেলুন দোকান এবং দুধ বিক্রেতা মতো দিনমজুর সাজতে দেখা গিয়েছে।

এ নিয়ে ফেইসবুকে ইন্জিনিয়ার’স ডাইরি নামক পেইজ পোষ্ট করে লিখেছে, দেশে চাকরী নেই বেলা,সমাবর্তন শেষে গ্রাজুয়েটরা ভবিষ্যৎ গোছাতে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে। এ নিয়ে আরো কয়েকজন ফেইসবুকে বিভিন্ন মন্তব্য করে বলেন, দেশে প্রায় কয়েকলাখ শিক্ষার্থী আছে। যাদের চাকুরী যোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আমাদের দেশে যেভাবে শিক্ষিতের হার বাড়ছে পড়াশুনা শেষে ঠিক তেমনি ঘটছে তার উল্টোটা। সমাবর্তনে আসা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবদুল্লাহ নামের একজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের দেশে যেভাবে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে। ঠিক তেমনি চাকরীর পেতে অনেক বেগ পোহাতে হচ্ছে। দেশে পর্যাপ্ত পরিমান কর্মক্ষেত্র নেই বলে দিন দিন বেকারর সংখ্যাও বাড়ছে।

আসাদ নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমরা সাধারণত শিক্ষাজীবনে কোন কর্মক্ষেত্র তৈরির কোন সুযোগ নেই। তারমধ্যে আবার যেকোন চাকরীর জন্য আবেদন করতে গেলে টাকা গুনতে হয়। আমাদের কোন আয়ের উৎস নেই। তাও মোটামুটি আমরা বহু কষ্ট করে টিউশনি করে পড়ার খরচ যোগাতে হয়।

তবুও আমাদের চাকরীর আবেদনের ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়। আমরা চাই সরকার যেন আমাদের চাকরীর আবেদন ফি ফ্রি করে দেয়।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর