আমাদের দেশের শিক্ষার্থীসহ সব শিক্ষার্থী এবং নাগরিকের জন্য হট লাইন খোলা আছে। সার্বক্ষণিক সব মেডিকেল থেকে শুরু করে ওষুধপত্র খাবার দেয়ার জন্য চীন সরকার প্রস্তুত রয়েছে। চীনা সরকারের যে নীতিমালা, সে নীতিমালা মেনেই হবে। চীনে বাংলাদেশ দূতাবাস মিশনের উপপ্রধান মাসুদুর রহমান বলেছেন।
এদিকে চীনে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩১ জনে দাঁড়িয়েছে।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দুটো হট লাইনের মাধ্যমে জরুরি খাবার সরবরাহের পাশাপাশি সব ধরনের সাহায্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাসুদুর রহমান।
চীনে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকে পড়া প্রবাসি বাংলাদেশিরা উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দেশে ফেরার অপেক্ষায় উহানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
জনশূন্য হয়ে পড়েছে উহান নগরী, টানা ৬ দিন দোকানপাট সুপার শপ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সেখানকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের পরও অপেক্ষার প্রহর গুণতে হচ্ছে তাদের।
সেখানে থাকা এক শিক্ষার্থী বলেন, চীনের পরিস্থিতি এ মুহূর্তে খুবই খারাপ। বাইরের মিডিয়ায় খুব বেশি প্রকাশ করা হচ্ছে না। আমি আমার চীনা বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পেরেছি এরইমধ্যে এ ভাইরাসে প্রচুর আক্রান্ত হয়েছে।
আরেক বাংলাদেশি বলেন, খুবই শঙ্কার মধ্যে আছি, ছোট ছোট শিশু সন্তান নিয়ে। হয়তো আর বেশি দিন ঘরে যে খাবার আছে সেটা আর থাকবে না।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, আটকে পড়াদের দ্রুত ফিরিয়ে আনতে চীন সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্মকার্তা।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি