দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বেলতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোর্শেদুল ইসরাম মোর্শেদের বিরুদ্ধে মাইক্রোবাস চালককে মারধোর ও রক্তাক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার পাবর্তীপুর উপজেলার হযরতপুর গ্রামের মো. আব্দুল হামিদ এর ছেলে মো. এন্তাজুল হক চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এই অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাইক্রোবাস চালক মো. এন্তাজুল হকের মন্মথপুর পেট্টল পাম্পের কাছে নিজস্ব ভুট্টা ক্ষেতে একটি গরু ভুট্টা ক্ষেত নষ্ট করে। সেই গরুটি চিরিরবন্দরের বেলতলী এলাকায় খোয়াড়ে দিতে গেলে সেখানে গিয়ে খোয়াড়ের মালিক না থাকায় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। খোয়াড়ের মালিক আমাকে একটু অপেক্ষা করতে বললে আমি খোয়াড়ের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকি। এমন সময় গরুর মালিক খোয়াড়ের কাছে এসে গরুটি খোয়াড়ে দিতে বাধা প্রদান করেন।
ঠিক সেই সময় বেলতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল ইসলাম পিছন থেকে এসে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করতে করতে কিল ঘুষি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার নাক মুখ ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে যাই। আমাকে মারধোর করার পর আমার মাইক্রোবাসটিও প্রধান শিক্ষক ভাংচুর করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এই এলাকায় বেশ কয়েকটা গরু চুরি হয়েছে। আমি গরু চোর ভেবেই তাকে মারধোর করেছি।’
গরুর মালিক জমিলা বেগম বলেন, ‘গরুর বাছুর ছেড়ে দেয়া থাকে। গরু হয়ত ভুট্টা খেয়েছে কিন্তু আমি এন্তাজুলকে অনুরোধ করেছি যাতে গরুটি খোয়াড় না দেয়। এমন সময় বেলতলীতে থাকা অবস্থায় প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল ইসলাম হঠাৎ এসে এন্তাজুলকে মারধোর করে।’
বার্তাবাজার/এমকে