বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে ভূয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দিনাজপুরের ৪ যুবকের কাছে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সোহরাব হোসেনের পুত্র আলমগীর হোসেন। ভূয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার বিষয়ে মঙ্গলবার দিনাজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী ৪ যুবক।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দিনাজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দিনাজপুর সদর উপজেলার উত্তর মহেষপুর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের পুত্র মো. বদিউজ্জামান (বাদশা) বলেন, ‘আমি এবং আমার সাথে সদর উপজেলা মো. আরিফুল ইসলাম, মনজ কুমার রায় ও মো. বাবর এর কাছ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে চাকুরি দেয়ার নাম করে ভূয়া নিয়োগপত্র প্রদান করেন রংপুরের পীরগাছা উপজেলার সোহরাব হোসেনের পুত্র আলমগীর হোসেন। যার জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৪১৯৩১৫১২৭৩।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ৪ যুবক আরো বলেন, ‘ভূয়া নিয়োগের সাথে শুধু আলমগীর হোসেন একাই জড়িত নয়। এই প্রতারণা চক্রের সাথে তার সহযোগি হিসেবে কাজ করেছেন মো. জামিল হোসেন ও মো. সাইদ হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযুক্তরা দাবি করেন, বিভিন্ন সময় এসএ পরিবহনের মাধ্যমে টাকা পাঠাই। যার সব গুলো রিসিভ আমাদের কাছে আছে। এছাড়াও টাকা পাঠানোর বিষয়ে যে মোবাইল ফোনে কথা বলা হয়েছিল তার কল রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে।
টাকা আত্মসাতের বিষয়ে গত গত ২৩ জানুয়ারি রংপুর জেলার পীরগাছা থানায় চাকুরির জন্য টাকা আত্মসাৎ প্রসঙ্গে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। তবে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরেও কোন প্রতিকার না পেয়ে বাধ্য হয়েই আমরা সংবাদ সম্মেলন করছি।
আমরা টাকা ফেরৎ চাওয়াতে উল্টো আমাদের উপর আলমগীর হোসেন বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। বর্তমানে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে সঙ্কিত আছি। প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির দাবিও জানান ভুক্তভোগীরা।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. নাজমুল হক বিপ্লব, মো. ফিরোজ, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. মাহিদুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।
বার্তাবাজার/এমকে