বরগুনার বেতাগীতে সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্যে আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে মনোয়ারা বেগম (৫৫) নামে এক নারীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জমিজমা সংক্রান্তের বিরোধের জের ধরে উপজেলার রানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের রানীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান (৪৫) তার আত্মীয়-স্বজন জোটবদ্ধ হয়ে সদর ইউনিয়নের রানীপুর মৌজার ৪১০-এস.এ খতিয়ানভূক্ত ৫০১ নং দাগভূক্ত ভোগদখলীয় জমির উপর তাদের নির্মিত ঘরে ২০ জানুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০ টায় মো: আব্দুল হকের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫৫) ‘র স্বামী ও ছেলে ঘরে না থাকার সুবাদে তাকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অনাধিকারভাবে ঢুকে জীবনের ভয়ভীতি দেখিয়ে তার উপড় চড়াও হয়। এ সময় এলোপাথারীভাবে কিলঘুষি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে এক পর্যায় মামলার প্রধান আসামী ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান খুন করার উদ্দেশ্যে তাকে কুপিয়ে জখম করে। মনোয়ারা বেগমের ডাক চিৎিকারে লোকজন জড়ো হয়ে ছেলে রেজাউল করীম বাদশকে মুঠোফোনে জানালে সে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
মনোয়ারা বেগমের স্বামী মো: আব্দুল হক অভিযোগ করেন, বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য খুন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিকভাবে তার স্ত্রীর উপর প্রতিপক্ষ হামলা করে। এতে তার মাথার পেছন ভাগের ডাণ পাশের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম ও পায়ের বুড়ো আঙ্গুল ভেঙ্গে যায়।
বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর মেডিকেল অফিসার ডা: ছানি আমীর জানান, মাথায় ও পীঠে শাপলের আঘাতের জখম রয়েছে। রোগীর শাররিক অবস্থা বর্তমানে ভাল।
এ ঘটনায় আহতের ছেলে মো: রেজাউল করীম বাদশা বাদী হয়ে ইউপি সদস্যে আব্দুর রহমান (৪৫), ওই গ্রামের বাসিন্দা মো: খলিলুর রহমান খানের ছেলে মো: মাসুম খান (৩০) সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বেতাগী থানায় একটি মামলা করে (মামলা নং-১০/২০, তারিখ: ২১-০১-২০২০ইং)।
ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, এটি মিথ্যা অভিযোগ। ওই সময় ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। জমিজমা সংক্রান্তের বিরোধের কারনে আমাকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বেতাগী থানার এসআই রায়হান আহম্মেদ সোহেল বার্তা বাজার’কে বলেন,মামলাটি তদন্তনাধীন রয়েছে। তদন্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি