টসে জিতে ওপেনিংয়ে মাঠে আসেন তরুণ নাঈম হাসান এবং অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। পাকিস্তানের পক্ষ্যে বোলিংয়ে আসেন বামহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। দেখে শুনেই শুরু করেন এই দুই বামহাতি ব্যাটসম্যান।
ভালো খেলতে খেলতে হটাৎ খেই হারিয়ে পেলেন তামিম। দলীয় ৭১ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৩৯ রান নিয়ে রান আউটের ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়েন এই বামিহাতি ব্যাটসম্যান।
তামিমের বিদায়ের পর মাঠে আসেন লিটন কুমার দাস। দারুন কিছুর ইঙ্গিত দেন বিপিএলে দারুন খেলা এই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান। অনেকটা সাবধানী শুরু করেন লিটন।
সাবধানী শুরুর পরও তামিমের পথে হাঁটেন লিটন। দলীয় ৯৮ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ১২ রান নিয়ে রান আউটের শিকার হন লিটন। লিটনের বিদায়ের পর একই পথের পথিক হন নাঈম। দলীয় ৯৮ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৪৩ রান রান নিয়ে সাদাব খানের বলে আউট ইন এই তরুণ তুর্কি।
নাঈমের বিদায়ের পর মাঠে আসেন আরেক তরুণ বামহাতি ব্যাটসম্যান আফিফ হোসাইন দ্রুব। কাপ্তান রিয়াদকে ভালোই সঙ্গ দেন আফিফ। কিন্তু সেই সঙ্গ ক্ষনিকের জন্যে। দলীয় ১১৯ রানের মাথায় ব্যাক্তিগত ৯ রান নিয়ে মাঠ ছাড়েন আফিফ। আফিফের পর বিদায় নেন আরেক বামহাতি হার্ড-হিটার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। ব্যাক্তিগত ৭ রান নিয়ে শাহেন শাহ আফ্রিদির বলে মাঠ ছাড়েন এই ব্যাটসম্যান।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪১ রান। যার ফলে পাকিস্তানের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ১৪২ রান। ১৯ রান নিয়ে রিয়াদ এবং ৫ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন মিঠুন।পাকিস্তানের পক্ষ্যে সাদাব, আফ্রিদি, রউপ নেন ১ টি উইকেট করে।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ নাইম, আফিফ হোসেন ধ্রুব, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শফিউল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন।
পাকিস্তান একাদশ: আহসান আলি, বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, ইফতিখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাদাব খান, হারিস রওফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ হাসনাইন।
বার্তাবাজার/কেএ