মৃত ঘোষণার পর বেঁচে যাওয়া নবজাতকটি অবশেষে মারা গেছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারী) দুপুরের পর তার মৃত্যু হয়। পরে বিকালে নবজাতকটিকে গ্রামের পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শিশুটির বাবার কাছে টাকা না থাকায় শিশুটিকে বাড়িতে নেওয়া হয়। অর্থ জোগাড় করার প্রস্তুতিকালে এক পর্যায়ে দুপুর দেড়টার দিকে মায়ের কোলেই মারা যায় শিশু জান্নাতুল।
জানা গেছে, গত রোববার বিকালে প্রসব বেদনা উঠলে জিনিয়ার পরিবারের সদস্যরা তাকে ডা: জিন্নাতুল আরার মালিকাধীন উপশম নাসিং হোমে ভর্তি করে।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের থেকে সিজার করার কথা জানানো হলেও সোমবার ভোরে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে আমার কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কিন্তু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ক্লিনিকের আয়া ও চিকিৎসকরা আমার মৃত কন্যা শিশু হয়েছে বলে জানায়। এরপর তাকে ক্লিনিকের মেঝেতে অযত্ন অবহেলায় ওপর রেখে দেয়া হয়।
প্রস্যুতি জিনিয়ার মা কুলসুম বেগমের অভিযোগ, মৃত কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার খবরে আমরা যখন দাফন কাফনের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকি। তখনই আমার মেয়ে তার কন্যাকে শেষ বারের মা দেখতে যাই। এরপর শিশুকে কোলে নিতেই নড়ে ওঠে শিশুটি।
বার্তাবাজার/কেএ