চাঁদপুরে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিবে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী

৩ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর চাঁদপুর জেলায় মোট ৭১ কেন্দ্রে বসছে সাড়ে ৩৫ হাজার পরিক্ষার্থী।এবার পরীক্ষা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নফাঁসের গুজবে কান না দিতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।২০ জানুয়ারি সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শিক্ষা শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়,জেলার ৮ উপজেলায় ৪৪ কেন্দ্রে মোট এসএসসি পরিক্ষার্থী ২৭ হাজার ১’শ ৯৪।এর মধ্যে ছাত্র ১১ হাজার ৩’শ ৭৮ এবং ছাত্রী ১৫ হাজার ৮’শ ১৬ জন।দাখিল পরীক্ষায় মোট ১৭ কেন্দ্রে পরিক্ষার্থী ৭ হাজার ২’শ ৬৪ জন।এতে ছাত্র ৩ হাজার ৮৫ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১’শ ৭৯ জন।আর ভোকেশনালে মোট ১০ কেন্দ্রে ১ হাজার ৪’শ ৫৬ জন পরিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।যার মধ্যে ছাত্র ৯’শ ৮৮ জন এবং ছাত্রী ৪’শ ৬৮ জন।জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শিক্ষা শাখার উচ্চমান সহকারী নেছার আহমেদ তপাদার জানান,এবার এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষায় মোট ৭১ কেন্দ্রে ৩৫ হাজার ৯’শ ১৪ জন পরিক্ষার্থী অংশ নিবে।এরমধ্যে ছাত্র ১৫ হাজার ৪’শ ৫১ জন এবং ছাত্রী ২০ হাজার ৪’শ ৬৩ জন।

অন্য এক তথ্য মতে, অন্যান্যবারের মতো এবারও পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীর দেরি হলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নম্বর ও দেরির কারণ উল্লেখ করতে হবে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে পাঠাবেন। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না।সেই সাথে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমন একটি ফোন ব্যবহার করবেন।যা দিয়ে ছবি তোলা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না।

ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-শিক্ষক-কর্মচারীরাও কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।এ ছাড়া পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম সহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ।জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শিক্ষা শাখার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল মোর্শেদ জানান,শহরসহ বেশ কিছু কেন্দ্রে পরিক্ষার্থীর অভিভাবকরা ভীড় জমিয়ে জটলা বাঁধেন।এতে করে শহরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।আমরা এক্ষেত্রে উর্দ্ধতনের সাথে আলোচনা করে নতুন কর্মপরিকল্পনার ব্যবস্থা করবো।

তিনি আরো জানান,পরিক্ষার্থীর অনুপস্থিতিরোধে আমরা এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে নজর রেখেছি।তবুও অনেক সময় সচেতনতার অভাবে বাল্যবিবাহের জন্য মেয়ে শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকে।আমরা পরিক্ষার্থীর অনুপস্থিতিরোধে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুতি রাখছি।

বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর