বড় সংগীত শিল্পী হতে চায় ঐন্দ্রিলা

গান আমার আত্মার খোরাক ও নাচ আমার রক্তে মেশা দুটিকে নিয়েই সামনের পথ অনুসরণ করে এগোতে চাই এই কথা গুলো বলেন বর্তমান সময়ের কণ্ঠ শিল্পী ঐন্দ্রিলা আক্তার বিথী।

ঐন্দ্রিলা ১৯৯৮ সালের ১ অক্টোবর জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম ইউসুফ আলী আর মাতার নাম নুপুর। গান ও নাচের পাশাপাশি তিনি এখন পড়াশোনা নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। আর তার ইচ্ছা হলো শুদ্ধ সংগীত শিখে শুদ্ধ মানুষ হয়ে সবসময় সকল গুরুজন দের প্রতি শ্রদ্ধাবান হয়ে যেন বড় একজন সংগীত শিল্পী হয়ে তার মা’র মুখ উজ্জল করতে পারে। তিনি জীবনে যতটুকু শিখেছে যত টুকু পথ চলেছে তার সকল অবদান তার মায়ের। এই শিল্পীর সাথে কথা হয় তিনি জানান তার বর্তমান অবস্থার কথা।

ঐন্দ্রিলা বলেন, আমি প্রথম নাচ শুরু করি ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীতে নাচের ও গানের উপর কোর্স সম্পন্ন করি। এরপর নৃত্যম নৃত্যশীলন কেন্দ্রে শুদ্ধেয় গুরুমা তামান্না রহমানের কাছে মনিপুরি নৃত্যর তালিম নিয়েছি এখন ও নিচ্ছি, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ মৌসুমী প্রতিযোগীতায় জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী তে নাচে ও গানে তালিকা ভুক্ত শিল্পী হিসেবে আমি আছি। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রোগ্রামে দেশে ও বিদেশে যেমন নেপাল, ইন্ডিয়া,মালোশিয়া,ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড সহ বিভিন্ন দেশে অংশগ্রহন করে আসছি, এছারা নাচে ইন্দোনেশিয়ান এম্বাসির সহ নৃত্য শিল্পী হিসেবে কাজ করে আসছি।

গানের শুরু ২০০৫ সাল থেকে সুরার্চনা সংগিতালয় থেকে, এর প্রতিষ্ঠাতা ভারতের প্রক্ষাত পন্ডিত অজয় চক্রবতি জি এর ছাএ শ্রদ্ধেয় রাম কুমার মল্লিক স্যার এর কাছে শাস্ত্রীয় সংগীত এর তালিম নিয়েছি। আমার গুরুজি কিছুদিন আগে (১৩-০৭-২০১৯)পৃথিবী ছেরে চলে যান। নাচে ও গানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে প্রথম স্থান অধিকার করেছি।

তিনি আরো বলেন, ছোটো বেলা থেকে মৈএি সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে অনেক মঞ্চনাটক করা হয়েছে তার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর খ্যাতির বিরম্বনা,ডাক ঘর ইত্যাদি। আর আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেনো আমার মায়ের আশা পূরণ করতে পারি।ও সুন্দর সুন্দর বাংলা গান উপহার দিতে পারি।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর