৭ মার্চ ২০১৯ এ মেয়র হিসাবে তার শপথ গ্রহন, কোন প্রকার বিলম্ব না করে নিষ্ঠা, দায়িত্ব ও উদ্যম নিয়ে মোঃ আতিকুল ইসলাম’র যাত্রা শুরু। যাত্রা শুরু এক সুস্থ, সচল, আধুনিক ঢাকা বিনির্মানে। উদ্দেশ্য গড়ে তোলা সবাই মিলে সবার ঢাকা।
মোঃ আতিকুল ইসলাম’র অর্জন এবং উন্নয়ন:
অসংখ্য চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতায় মোঃ আতিকুল ইসলাম মাত্র নয় মাসে অন্তর্বর্তীকালীন মেয়র হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তযায়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, একের পর এক ভয়াবহ অগ্নি দূর্ঘটনা মোকাবেলা, ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে নগরবাসীকে রক্ষা, জলাবদ্ধতা নিরসন, পার্ক ও খেলার মাঠগুলো সংস্কার ও উন্নয়ন, অটোমেশন এর মাধ্যমে নাগরিক সেবা প্রদানের সামগ্রিক কার্যক্রমকে ডিজিটাইজেশন করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সাংস্কৃতিক উন্নয়নে অবকাঠামো নির্মাণ সহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে মোঃ আতিকুল ইসলাম অব্যাহত কর্মতৎপরতা চালিয়েছেন।
কর্মই ব্রত, সেবাই ধ্যান
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী, দুরন্ত, দুর্বার মোঃ আতিকুল ইসলাম আদর্শবান পিতা মাতার কনিষ্ঠ সন্তান। তার বড় ভাই দেশের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ার জনাব শফিকুল ইসলাম, মেজো ভাই জনাব তাফাজ্জল ইসলাম- সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়ে স্বাক্ষরকারী। সেজো ভাই সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সাবেক লেফট্যান্যান্ট জেনারেল ও বিডিআর এর সাবেক মহাপরিচালক মইনুল ইসলাম যিনি বিডিআর বিদ্রোহের পর বাহিনীটিকে পূনর্জ্জীবিত ও পূনর্গঠন করেন। মোঃ আতিকুল ইসলামের ছয় বোনও উচ্চ শিক্ষিত এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত।
নির্মোহভাবে ত্যাগের মানসিকতায় দেশ ও জাতির জন্যে নিবেদিত হয়ে কাজ করার শিক্ষা তিনি পেয়েছেন পারিবারিকভাবেই।
শিল্প, ক্রীয়া, সংস্কৃতি সবক্ষেত্রেই তার অসাধারন সাংগঠনিক যোগ্যতা। রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে গার্মেন্টস খাতে যে শংকা ও সংশয় তেরি হয়েছেল, মোঃ আতিকুল ইসলাম জিজিএমই’র প্রেসিডিন্ট থাকাকালীন সময়ে সে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বজায় রেখেছেন দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা।
বার্তাবাজার/এমকে