যশোর শার্শা উপজেলায় শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।ফলে কৃষকদের ধানের চারা কিনে খেতে রোপন করতে হবে। এতে কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
পাশাপাশি তাদের শ্রম ও সময়ের অপচয় হচ্ছে।শার্শা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়- এবছর এ উপজেলায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে মোট ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে।
এর মধ্যে হাইব্রিড ৮ হাজার ও উচ্চ ফলনশীল ২০ হাজার হেক্টর জমি।শার্শা উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে-বোরো আবাদ সফল করার জন্য বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।শীত-কুয়াশা থেকে রক্ষা করতে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেঁকে দিচ্ছে কৃষকরা।
আবার গরু-ছাগলের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য অনেক কৃষক খেতের চারপাশে নেটজালের বেড়া দিয়ে রেখেছে।চারার আকৃতি বীজতলা ভেদে বিভিন্ন রকমের হয়েছে।দেখা গেছে,ক্ষতিগ্রস্ত খেত গুলোয় চারা তুলনামূলক ভাবে কম গজিয়েছে।চারা গুলো কিছুটা হলদেটে ভাব বা সাদা সাদা।
উপজেলার বেনাপোল ইউনিয়নের কাগজ পুকুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ বলেন-তার প্রায় ৩ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপনের জন্য বীজতলা তৈরি করেন।সেই বীজতলা অনেকটা তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। বীজতলায় যে চারা আছে,তাতে প্রায় ৩ বিঘা জমিতে রোপণ করা হবে না।
বিধাই চারা কিনেই জমি রোপণ করতে হবে।এবারও শার্শা উপজেলার কৃষকেরা বিভিন্ন জাতের ধানের চারা লাগিয়েছে। কিন্তু অনেক বীজতলায় চারা ঠিকমত গজায়নি।এজন্য বাড়তি টাকা গুনতে হবে।ইউনিয়ন ভিত্তিক কৃষি কর্মকর্তারা জানান- আবহাওয়া ভালো থাকলে এসব সমস্যা হতো না।
বার্তাবাজার/এইচ.আর