বিভাগ একীভূতকরণের দাবীতে আমরণ অনশনে ইটিই বিভাগ

বিভাগ একীভূতকরণের দাবীতে আমরণ অনশন করছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) এর ইলেকট্রনিকস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা৷

দীর্ঘ ৯১ দিন যাবৎ ইটিই বিভাগকে ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সঙ্গে একীভূতকরণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ১৫ জানুয়ারী রোজ বুধবার সকাল ১১ঃ০০ টায় ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের দাবী আদায়ের জন্য আমরণ অনশন শুরু করেন।শিক্ষার্থীরা জানান, যেখানে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত সেখানে বেচে থাকা আমাদের জীবনে অর্থহীন।

প্রসঙ্গত, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইন্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সাথে একীভূতকরণের দাবিতে আন্দোলনরত ইলেকট্রনিকস এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইন্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা ১৫ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ৷

এ প্রসঙ্গে ইটিই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, “ইটিই এবং ইইই এর পাঠ্যক্রম অনেকটা একই হলেও চাকরির ক্ষেত্রে ইটিই এর সুযোগ কম। এমনকি বিটিসিএলেও ইটিই এর পরিবর্তে ইইইকে গুরুত্ব দেয়া হয়। এ কারণে আমরা ২০১৯’র অক্টোবর থেকে ইটিইকে ইইই এর সাথে একীভূতকরণের দাবিতে আন্দোলন করছি। দীর্ঘ ৯০ দিন পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন আমাদের বিষয়ে নীরব। এমতাবস্থায় নতুন বছরের আগমন আমাদের মাঝে কোনো আনন্দের অনুভূতি তৈরি করেনি। তার সাথে সাথে আজকে আমরা আমরণ অনশন শুরু করেছি। আমাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ অনশন অব্যাহত থাকবে।”

এ বিষয়ে ইটিই বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান জানান, ‘‘এ বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কিছুই করার নেই। বিষয়টি সমাধানের জন্য পূর্ণ ক্ষমতা প্রাপ্ত উপাচার্য প্রয়োজন। তাই উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়টির সমাধান সম্ভব নয়।’’

উল্লেখ্য, ইটিই গ্রাজুয়েটদের চাকরির সুযোগ ক্রমাগত কমে যাচ্ছে দাবি করে গত ১৭ অক্টোবর থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে ইটিই কে ইইই বিভাগের সাথে একীভূতকরণের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে তারা সমস্যার সমাধান চেয়ে ইউজিসি বরাবর এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর