সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় “স্বচ্ছ, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতিরোধে সরকারী কাজে শুদ্ধাচার কৌশলপত্র পরিকল্পনা গ্রহনে” মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সহযোগিতায় ও সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে আজ (১২ জানুয়ারী) উপজেলা পরিষদের হলরুমে দিনব্যাপী কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী। এসময় আমন্ত্রিতদের প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (এনআইএস-২) প্রকল্পের জাতীয় কনসালট্যান্ট শফিউল আলম।
সভায় শুদ্ধাচার বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের ভূমিকার উপর একটি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার। জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল সহায়তা প্রকল্প (এনআইএস-২) প্রকল্পে বিষয়বস্তু তুলে ধরেন মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদ সুলতানা। তিনি জানান, জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল সহায়তা প্রকল্প প্রকল্পের অধীনে জাতীয় শুদ্ধাচার বিষয়টি দেশব্যাপি ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে দেশের আটটি বিভাগের আট উপজেলা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে পাইলট প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। উপজেলাগুলি হলো নীলফামারী সদর, যশোরের চৌগাছা, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, চটগ্রামের হাটহাজারি, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া, ময়মনসিংহের ভালুকা, রাজশাহীর পবা ও সিলেটের গোলাপগঞ্জ।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ব্যক্তির সমষ্টিতেই প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি হয় এবং তাদের সম্মিলিত লক্ষ্যই প্রতিষ্ঠানে প্রতিফলিত হয়। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচার চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় আইন-কানুন, প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম-নীতি ও দর্শন এমনভাবে প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হওয়া উচিত যাতে তা শুদ্ধাচারী জীবন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়।
অন্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আব্দুল মোতালেব সরকার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাহিদ মাহমুদ, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদ সুলতানা, জাইকা গভর্ন্যান্স এক্সপাট আখিকো ইয়ামা সাকি, প্রকল্পের জনসংযোগ কনসালটেন্ট কুহু মান্নান প্রমুখ।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস