উপবৃত্তি বন্ধ হলে প্রভাব পড়বে শিক্ষা ব্যবস্থায়

গত ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে উপবৃত্তি প্রকল্পের ৫ বছরের মেয়াদ। নতুন শিক্ষা বছর শুরু হয়ে গেলেও প্রকল্প নবায়ন বা এ ধরনের নতুন কোনো প্রকল্প গৃহীত না হওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে পশ্চাৎপদ রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের প্রাথমিক পর্যায়ের সাড়ে ১৫ লাখ শিশুর শিক্ষাজীবন।

বছর বছর সময় বাড়িয়েও ড্রপআউট বা ঝরেপড়া রোধ হয়নি প্রাথমিক স্কুলগুলো থেকে। নিশ্চিত হয়নি সবার জন্য বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা। ফলে বাল্য-বিয়ে ও শিশু-শ্রমের অভিশাপ এখনও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে সমাজের একটি অংশের মানুষকে।

তবে সরকারের যেসব উদ্যোগে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে, তার মধ্যে উপবৃত্তি প্রকল্প অন্যতম। গত ডিসেম্বরে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষে নতুন করে চালু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা-হতাশা শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের।

তারা বলেন, টাকা দিয়ে স্কুল ড্রেস তৈরি এবং ব্যাগ কিনতাম। এখন দেয় না। তাই অনেকেই এখন স্কুলে আসে না। এ অবস্থায় ছাত্রছাত্রী ধরে রাখা নিয়ে উৎকণ্ঠায় শিক্ষক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষকরা বলেন, বাচ্চাদের ভর্তি করা, ধরে রাখায় অনেক সমস্যা হবে। প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেলে নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা জানিয়েছেন শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা খোন্দকার মো. ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন, অভাবী বাচ্চাদের ওপর এর প্রভাব পড়বেই-এটাই স্বাবাবিক।

প্রকল্পের আওতায় গত ৫ বছর এ অঞ্চলের ১৫ লাখ ২৯ হাজার শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পেয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় উপবৃত্তি প্রকল্প চালু না হলে এর প্রভাব পুরো শিক্ষা-ব্যবস্থার ওপরই পড়ার শঙ্কা করছেন শিক্ষাবিদরা।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর