২৫, জুন, ২০১৮, সোমবার | | ১১ শাওয়াল ১৪৩৯

ঝুকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠা অতপর ছাদ থেকে মই দিয়ে নামলেই ১০ টাকা!

আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮

ঝুকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠা অতপর ছাদ থেকে মই দিয়ে নামলেই ১০ টাকা!

ঈদের আনন্দ পরিবারের সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ও গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করতে প্রতিতিন পাবনার চাটমোহর স্টেশনে এসে নেমেছেন অসংখ্য যাত্রী। শুধু চাটমোহরেরই নয় পাবনা, আটঘরিয়া, বড়াইগ্রামসহ অন্যান্য উপজেলার ঈদে ঘরমুখো মানুষ আসছেন ট্রেনে।

ট্রেন স্টেশনে থামার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের ছাদে মই লাগানো হয়। মই দিয়ে নামানোর পর একজন যাত্রীর কাছ থেকে ১০ টাকা আদায় করা হয়।

আন্তঃনগর সুন্দরবন, চিত্রা, ধূমকেতু, একতা, লালমনি এক্সপ্রেস, দ্রুতযানসহ মেইল ট্রেনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসছেন। ট্রেনের ছাদে আসছে দিনমজুর, গার্মেন্টস কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। ঝুঁকি নিয়েও অনেকে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করছেন।

ট্রেনের ছাদে আসা আটঘরিয়ার গার্মেন্ট কর্মী আফতাব হোসেন বললেন, ভেতরে ছিট নেই, দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে ছাদে ভ্রমণ ভালো। এক প্রশ্নের জবাবে বললেন, ঝুঁকি তো আছেই ছাদে ভ্রমণের। কিন্তু বাড়িতে তো আসতেই হবে। এদিকে ট্রেন স্টেশনে থামার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের ছাদে মই লাগানো হয়। মই দিয়ে নামানোর পর একজন যাত্রীর কাছ থেকে ১০ টাকা নেয়া হয়। শুধু মই দিয়েই নয়, প্লাটফরমে নামতে না পেরে অনেকে নামছেন উল্টো দিক দিয়ে। এতে ঝুঁকি আরো বেশি।

চাটমোহর স্টেশনের মাস্টার মাসুদ আলী জানান, কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ট্রেনের ছাদে যাত্রী উঠছে। এখানেতো কেবল নামছে। আমার তো এথানে কিছু করার নেই।

এদিকে ট্রেনের যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য চাটমোহর রেলওয়ে স্টেশনে জিআরপি পুলিশ ও থানা পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তারকর্মী হিসেবে ১০ জন আনসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে একজন সশস্ত্র পিসি, ১ জন এপিসি রয়েছেন। তারা সার্বক্ষণিক যাত্রীদের সহযোগিতা করছেন।