২৫, জুন, ২০১৮, সোমবার | | ১১ শাওয়াল ১৪৩৯

ঈদগাহে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু এলাও না’ আছাদুজ্জামান মিয়া।

আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮

ঈদগাহে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু এলাও না’ আছাদুজ্জামান মিয়া।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহ মাঠে নিরাপত্তার স্বার্থে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া মুসল্লীদের আর কোন কিছুই এলাও করা হবেনা বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
তিনি বলেন— অত্যন্ত শান্তি ও সুশৃঙ্খলভাবেই মাহে রমজান শেষ হতে যাচ্ছে। সারা দেশের কোথাও কোনো অঘটন ঘটেনি। কোথাও কোন ছিনতাইয়ের মতো কোনো কিছু হয়নি। তার একমাত্র কারণ ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
তিনি বলেন— পবিত্র ঈদকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অঘটন না ঘটে তার জন্য পুরো নগর জুড়ে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিত্ব। পোষাকে ও সাদা পোষাকে সর্বত্রই পুলিশ থাকবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ জামায়াত ও নগর জুড়ে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা।
প্রতিটি জামায়াতে প্রবেশকালে সকল মুসল্লিদের দুটি আর্চওয়ের স্তর পার হয়ে ঈদগাহ মাঠে প্রবেশ করতে হবে। সাথে থাকবে ডগ স্কোয়াড ও দক্ষ সোয়াট বাহিনী। এক কথায় কোথাও কোন নিরাপত্তার ঘাটতি থাকবেনা। প্রশিক্ষিত কর্মকর্তারা সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং করবে বলেও জানান পুলিশ কমিশনার।

ঢাকার প্রবেশ পথ ও বাহির হওয়ার পথে যাতে কোনো ধরনের যানজট সৃষ্টি না হয় তার জন্য ট্রাফিক পুলিশ দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যাত্রীদের নিশ্চিন্তে ও সুন্দরভাবে বাড়ি গিয়ে ঈদ পালনে সহায়তা করতে প্রতিটি টার্মিনালে ভ্রাম্যমাণ আদালত রয়েছে। যাত্রীদের হয়রানি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান তিনি। যানজট নিরসনে জেলা পুলিশ, মহানগর ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন ঢাকা শহর থেকে যারা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ঈদ উৎযাপন করতে যাচ্ছেন, তাদের বাসা বাড়ি এমনকি শহরের সকল দোকান-পাঠ থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায়। শুধু তাই নয় প্রতিটি এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডদের সাথে সমন্বয় করে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, ঈদের আগে ও পরে শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার থাকবে। ওই সকল জায়গায় যাতে ইভটিজিংয়ের মতো কোনো ধরনের ঘটনা না ঘটে তার জন্য পুলিশ তৎপর থাকবে।
ঈদে কোনো ধরনের থ্রেট আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন— কোন ধরনের থ্রেট নেই তবে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।
কয়েক মাস আগে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় গ্রেফতার হুমাইরা কারাগার থেকে জামিন প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন যে বা যারাই জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় আটক কিংবা গ্রেফতার ছিলেন, তারা জামিন নিয়ে বের হয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনিটরিংয়ে থাকবেন। আর জামিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন— এটি আদালতের এখতিয়ার। এই ব্যাপারে পুলিশের কোনো মন্তব্য নেই।