ঢাকার ধামরাইয়ে মমতা (১৯) নামের এক সিরামিকস কারখানার শ্রমিককে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বালিয়া ইউনিয়নের কাওয়ালী পাড়া এলাকা থেকে এক কিলোমিটার ভিতরে একটি রাস্তার পাশ থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ধামরাই থানা পুলিশ।
নিহত মমতা ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নের শাজাহান খাঁর মেয়ে। সে স্থানীয় প্রতীক সিরামিকস কারখানার শ্রমিক বলে জানায় পুলিশ।
এব্যাপারে সন্দেহভাজন ঘাতক ফিরোজ ওরফে সোহেল (৩১) কে গ্রেপ্তার করেছে ধামরাই থানার পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ফিরোজ রাজবাড়ীর পাংশা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সে ওই কারখানার শ্রমিকদের বাসে করে আনা-নেওয়ার কাজে নিয়োজিত ছিল।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০ টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক দীপক চন্দ্র সাহা।
তিনি বলেন, গতকাল রাত ৮ টার দিকে একটি নিখোঁজ ডায়েরি হয় থানায়। এরপর থেকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকাবাসী তাকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে বালিয়া ইউনিয়নের কাওয়ালী পাড়া থেকে এক কিলোমিটার ভিতরে রাস্তার পাশ থেকে নিহত ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে শনিবার ভোর ৪টায় বাসের ড্রাইভার সোহেল কে গাড়িসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, রাতেই কাওয়ালীপারা অতিক্রম করে মমতাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রাস্তার পাশে লাশ ফেলে রেখে চলে যায় সে।
নিহত নারীর লাশ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ধামরাই থানায় ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ আরও জানায়, ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে বলা যাবে না।
বার্তাবাজার /এইচ.আর