বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপকে সামনে রেখে অনুশীলন ক্যাম্প শুরু হলেও, প্রতিপক্ষ সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই বাংলাদেশের ফুটবলারদের। নিজ গ্রুপের প্রতিপক্ষ ফিলিস্তিন এবং শ্রীলঙ্কা ছাড়া অন্য দলগুলো সম্পর্কে একেবারে কিছুই জানেন না তারা। যদিও, প্রতিপক্ষ নিয়ে না ভেবে নিজেদের সামর্থ্যে পুরোপুরি আস্থা রাখছেন দলের সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস। ছুটিতে থাকায় প্রথম দিনের অনুশীলনে ছিলেন না প্রধান কোচ, অধিনায়ক সহ ৯ ফুটবলার।
শীতের সকালে তখনো আড়মোড়া ভাঙেনি নগর জীবনের। কিন্তু শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের আর্টিফিশিয়াল টার্ফে ব্যস্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলাররা। উদ্দেশ্য, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ।
ক্যাম্পের প্রথম দিন বলেই হয়তো, ছিলো কিছুটা ঢিলেঢালা ভাব। তার ওপর সদ্য সমাপ্ত ফেডারেশন কাপের চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলাররা ছিলেন না অনুশীলনে। ছুটিতে থাকায় প্রধান কোচ এবং অধিনায়কের সান্নিধ্যও পাননি অনুশীলনে উপস্থিত ১৪ জন।
শরীরের জড়তা কাটতেই শিষ্যদের নিয়ে গা গরমে নেমে পড়েন সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস। টুকটাক ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পর শুরু হয় বল নিয়ে অনুশীলন। ডি বক্স এবং তার বাইরে থেকে, ক্লোজ শটে গোলরক্ষকদের পরাস্ত করার চেষ্টা করেন ফুটবলাররা। আর গোলরক্ষক কোচ অনুপস্থিত থাকায়, নিজেদের মধ্যে দেয়া নেয়া করেই অনুশীলন সেরে নেন বারপোস্টের দুই অতন্দ্র প্রহরী শহীদুল আলম সোহেল এবং আশরাফুল রানা।
তবে, যে নিমিত্তে এতো কিছু সেখানে একটা ‘কিন্তু’ পাওয়া গেলো অনুশীলন শেষেই। গোল্ডকাপের প্রতিপক্ষদের সম্পর্কে খুব একটা জানেন না ফুটবলাররা। এমনকি তাদের খেলার ধরণটাও একেবারেই অজানা তাদের কাছে।
প্রতিপক্ষ শিবির সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকলে বর্তমান সময়ে খেলতে নামা বেশ কঠিন। কথাটা জানা আছে দলের সহকারী কোচের। তবে, শেষ মুহূর্তে এসে এখন আর সেসব নিয়ে ভাবতে চান না তিনি। আস্থা রাখছেন নিজেদের সামর্থ্যের ওপরই।
আগামী ১৫’ই জানুয়ারি টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই মাঠে নামবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি