১৭, ডিসেম্বর, ২০১৮, সোমবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪০

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা !!

আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা !!

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে রাশিয়ার লুঝনিকি স্টেডিয়ামে পর্দা উঠছে ২১তম ফুটবল বিশ্বকাপের। এটিই এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু। বছরখানেক আগে ৩৫০ বিলিয়ন ইউরো ব্যায়ে শেষ হয়েছে এর সংস্কারকাজ। এখন যা পুরোপুরি তৈরি ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’-এর জন্য।

৩২ টি দেশ নিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের ২১তম আসরের। এর পরই রাত ৯টায় মাঠে গড়াবে বল। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক রাশিয়া ও সৌদি আরব। লুঝনিকি স্টেডিয়ামে এ ম্যাচটি ছাড়াও হবে একটি সেমিফাইনাল ও ফাইনালসহ মোট ৭টি ম্যাচ।

আজ থেকে আট বছর আগে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার মাটিতে বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। যদিও তা নিয়ে বির্তক ছিল আগ্রহী বাকি দেশগুলোর মধ্যে ছিল। এ তালিকার প্রথমেই ছিল ইংল্যান্ড। যারা বাদ পড়ে যায় ভোটাভুটির প্রথম পর্বে। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন তো অভিযোগ তোলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাগতিক হওয়ার অধিকার আদায় করেছে রাশিয়া। সাবেক ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার পর্যন্ত পরবর্তী সময়ে স্বীকার করেছেন, ভোটের আগেই নির্ধারিত হয়ে যায়, ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবল হবে রাশিয়ায়।

এরআগে ১৯৮০ সালে লুঝনিকি স্টেডিয়ামে অলিম্পিকের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান হয়েছিল। এরপর ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিল ৬২ বছর আগে নির্মিত এ স্টেডিয়ামটি। দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির লেনিনের নামেই প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল এ স্টেডিয়ামের। ১৯৯২ সালের পর স্টেডিয়ামের নাম হয় ‘লুঝনিকি’। মস্কোভো নদীর বাঁকে জন্মানো সুগভীর তৃণক্ষেত্র থেকে ‘লুঝনিকি’ নামটির উৎপত্তি।

২১তম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যাপ্তি মাত্র ৩০ মিনিট। বিশ্বকাপের থিম সং ‘লিভ ইট আপ’-এর মধ্যে দিয়ে শুরু হবে মূল মহড়ন। থিম সং নিয়ে সবার সামনে হাজির হবেন উইল স্মিথ এবং নিকি জ্যাম। উদ্বোধনী মঞ্চে বিশ্বখ্যাত দুই শিল্পী রবি উইলিয়ামস ও আইদা গারিয়ুফুলিনার সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন ব্রাজিলীয় ফুটবল গ্রেট রোনালদোও। এদিকে রাশিয়ান স্থানীয় তারকাদের নানা রকম আয়োজনে মাতবে পুরো গ্যালারি। অনুষ্ঠানের পাশাপাশি তুলে ধরা হবে রাশিয়ার সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক। পুরো গ্যালারির সামনে জিমন্যাস্ট এবং ট্র্যামপোলিনিস্টরাও পারফর্ম করবেন।

বিশ্বকাপের আগের আসরের মতো এবারও রোমাঞ্চের কমতি নেই। সব কিছুর পরও রয়েছে চাপা সংশয়। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে রাশানরা ঠিকই দারুণ একটি বিশ্বকাপ উপহার দেবে। এমনটাই বিশ্বাস আয়োজকদের।