ফুলজোর নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, ভেঙ্গে পড়ছে ফসলি জমি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের বকুল তলা ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বে ফুলজোর নদীর পার কেটে ইট ভাটায় মাটি নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। নদীর পার গভীর করে কর্তন করায় ফসলি জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে। এতে প্রায় অর্ধশতাধিক বিঘা ফসলী জমি হুমকীর সম্মুখীন পড়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ভরসা ব্রিকস এর স্বত্তাধিকারি মো. রফিকুল ইসলাম প্রভাব খাটিয়ে নদীর মাটি কেটে তার ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ফুলজোর নদীর পার কেটে গভীর করায় পাশেই সরিষা ফসলের জমি ভেঙ্গে পড়ছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সরেজমিনে গেলে নাম প্রকাশ না শর্তে কয়েকজন জানায়, ইতিপূর্বে সেখান থেকে মাটি কাটায় অভিযোগের ভিত্তিতে
ইউএনও স্যার বন্ধ করেছিলো। কিন্তু আবার জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম অফিস ম্যানেজ করে দুদিন ধরে নদীর মাটি কেটে তার ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় নমাজ উদ্দিন আকন্দ বলেন, সে তার নিজ জমিতে এ বছর সরিষা চাষ করেছে। অবৈধ ভাবে নদীর পার কাটাই তার সরিষার জমি ভেঙ্গে পড়েছে। সে বাধাঁ দিয়েও ঠেকাতে পারেনি।

স্থানীয় মো. লেবু সরকার জানায়, নদীর মাটি গুলো ভরসা ইটভাটার মালিক রফিকুল ইসলাম একটি ভেকু ও ১০ টি ড্রাম ট্রাক লাগিয়ে তার ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ভরসা ব্রিকস’র স্বত্তাধিকারি মো. রফিকুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, মাটি গুলো আমি বিক্রি করছিনা আমার ইটভাটায় যাচ্ছে।

নলকা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী মো. শামছুল আলম বলেন, ফুলজোর নদীর পার থেকে মাটি কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এর আগে বন্ধ করেছিলাম।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীমুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, কিছুদিন আগে বকুল তলা ব্রিজের পশ্বিম পাশে নদীর পার কেটে নেয়ার খবর শুনে কাজটি বন্ধ করা হয়েছিলো। যদি পূনরায় মাটি কর্তন করে থাকে তাহলে অবশ্যই জরুলী ভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর