সেতু ক্ষতিগ্রস্ত পারে এই আশঙ্কায় সেতুর আশপাশে বালু উত্তোলন বা বালু মহাল না করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বালু তোলার কারণে পিলারের সাপোর্ট নষ্ট হয়ে সেতু ডিসপ্লেস হতে পারে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
একনেক বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
“সুগন্ধা নদীর ভাঙন থেকে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু (দোয়ারিকা সেতু) রক্ষার্থে ৩.৭৬৫ কি.মি. নদীতীরে স্থায়ী রক্ষাপ্রদ কাজ” প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এমন নির্দেশনা দেন। ২৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীর বাম তীর ২ কি.মি, সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীর ডান তীর ১ দশমিক ৭৬৫ কি.মি. ও নদীর উত্তর পাশে সৃষ্ট চরে ড্রেজিং কাজ শূন্য দশমিক ৬২৫ কি.মি. কাজ করা হবে। নির্মাণকালীন সেতু ও এপ্রোচ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করা হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সুগন্ধা নদীর ভাঙন থেকে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু (দোয়ারিকা সেতু) ও সেতু এপ্রোচ সড়ক রক্ষাসহ উন্নত ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনসহ প্রকল্প এলাকার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে বলে জানান।
একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সেতুর আশপাশে নদীতে নাব্যতা রক্ষা করতে হবে। নদীর নাব্যতা ঠিক করতে ড্রেজিং করতে হবে। আবার এমনভাবে ড্রেজিং করা যাবে না যাতে নদীর পাড় ভেঙঙে পড়ে।’
সেতু প্রতিস্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন নতুন সেতু নির্মাণ হলে পুরনো সেতুগুলো বিক্রি করে দেয়া বা অন্য কোথায় সেতুর মালামাল কাজে লাগানো যায় কি না সে বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে।
সভায় ‘জরাজীর্ণ, অপ্রশস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিদ্যামান বেইলি সেতু এবং আরসিসি সেতু প্রতিস্থাপন (ঢাকা জোন)’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি