সন্ধ্যা নামলেই অজানা বিপদের শঙ্কা কুর্মিটোলায়

রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক হলেও কুর্মিটোলার আগে-পরে দীর্ঘপথে নেই পর্যাপ্ত আলোসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্জন ফুটপাতে প্রায়ই ঘটে নানা অপরাধ। যে তালিকায় সবশেষ সংযোজন রোববার (৫ জানুয়ারি) ঘটে যাওয়া ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা। অথচ এ সড়কে সতর্কতার সাইনবোর্ড দিয়েই দায় সেরেছে পুলিশ।

ব্যস্ত সড়কে ছুটছে যানবাহন। পাশের ফুটপাত ধরে অনেকটা জায়গা নির্জন। ঝোপঝাড় আর গাছের আড়ালে লুকিয়ে যেন অজানা বিপদের শঙ্কা। ব্যাপারটা জানা আছে কর্তৃপক্ষেরও। তাই কয়েকটি স্থানে লাগানো আছে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড।

এটুকু করেই দায়িত্ব সেরেছেন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা। অথচ এ সড়কের কুর্মিটোলা অংশেই রোববার সন্ধ্যায় ঘটে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের মতো অপরাধ। বনানী থেকে শুরু করে এ মাইলখানেক সড়কে আগেও ঘটেছে অপরাধমূলক নানা কর্মকাণ্ড। সেই তালিকায় রয়েছে ২০১৬ সালে গারো তরুণী ধর্ষণ। রয়েছে পরের বছর কলেজপড়ুয়া এক শিক্ষার্থী লাঞ্ছনা। আর চুরি-ছিনতাই তো নিত্যদিনের ঘটনা। এসব বিবেচনায় এখান থেকে বাসস্টপ সরানোর দাবি জানিছিলেন শিক্ষার্থীরা। মানা হয়নি সে দাবিও।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই জায়গায় সিসিটিভি বসাতে হবে। পুলিশ যেন সবসময় থাকে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রশাসন কেউই এর দায় এড়াতে পারে না।

এদিকে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টার অজুহাতেই এখনো সীমাবদ্ধ পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে গুলশান জোনের এডিসি মো.কামরুজ্জামান বলেন, প্রথমে একটু ভীতিকর অবস্থার মধ্যে ছিল। এখন কিছুটা স্বাভাবিক। আমরা কাজ করছি। আমাদের একটু সময় দিন। আমরা আপনাদের সব জানাব।

অপরাধপ্রবণ এমন সব এলাকায় কড়া নিরাপত্তা টহলের দাবি নগরবাসীর।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর