বগুড়ার শেরপুরে গত এক বছরে বিভিন্ন সময় পরিচালিত ১২১ টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬ শত ৫০ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে উপজেলা প্রশাসন। এবং মামলা দায়ের করেছে ২৮৮ টি।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ জানান, বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় গত ২০১৯ সালে ১২১টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার আইনে ২৯টি মামলার মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার, বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে দুটি মামলায় ৫৫ হাজার, ধুমপান ও তামাকজাতদ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রন আইনে ৭৮ টি মামলায় ২৮ হাজার ৭ শত, ১৮৬০ সালের আইনের দন্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় ৩১ টি মামলায় ১২ হাজার ৫ শত ৫০, ঔষধ (ড্রাগ) আইনে ২৪ টি মামলায় ৪৮ হাজার, করাতকল(লাইসেন্স) বিধিমালায় ১৮টি মামলায় ৪৮ হাজার, পন্যে পাটজাত মোড়ক আইনে ৫৮ টি মামলায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮ শত, মৎসরক্ষা ও সংরক্ষন আইনে ২ টি মামলায় ৪ হাজার, মোটরযান অধ্যাদেশ আইনে ১৬টি মামলায় ৬ হাজার, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় ২ হাজার ৯শত, বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে ৩৮ মামলায় ৩৩ হাজার, কৃষিপন্য বাজার নিয়ন্ত্রন আইনে ১ টি মামলায় ১ শত, পশু নির্যাতন আইনে ১টি মামলায় ৫০, পৌরসভা আইনে ১টি মামলায় ১৫০, প্রকাশ্যে জুয়া আইনে ১টি মামলায় ১ শত, ওজন ও পরিমাপের মান অধ্যাদেশ আইনে ১টি মামলায় ১ শত, মৎস ও পশু খাদ্য আইনে ২টি মামলায় ৯ হাজার এবং বাংলাদেশ গ্যাস আইনে ১ টি মামলায় ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়ও ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ আরো জানান, মুজিব জন্ম শতবর্ষে ১ শতটিরো বেশি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। বাল্য বিবাহ, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করণ, মাদক নির্মূল, বাজার মনিটরিং ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষে ভ্রাম্যমান আদালত অব্যাহত থাকবে।
বার্তাবাজার/এইচ.আর