লোহাগাড়ায় ঘনবসতির মধ্যে গড়ে উঠেছে ইটভাটা: জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

লোহাগাড়ায় অধিকাংশ ইটভাটা মালিকরা নিয়মনীতির ত্বোয়াক্কা না করে ঘনবসতির মধ্যে গড়ে তুলেছে ইটভাটা। পোড়াচ্ছে ফলজ ও বনজ কাঠ। ফলে ইটভাটার কালো ধোয়ায় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রন আইন (২০১) তে সুস্পস্টভাবে উল্লেখ করা আছে যে, জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স ব্যতিত কোন ব্যক্তি ইটভাটায় ইট প্রস্তুত করতে পারবে না। কিন্তু লোহাগাড়ায় লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ইটভাটা। ওই আইনে আরও উল্লেখ আছে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে বসতঘর, ফলজ ও বনজ বাগান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলে ইটভাটা অনুমোদন হবে না। কিন্তু এ উপজেলার প্রত্যেকটি ইটভাটা গড়ে উঠেছে ঘনবসতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফলজ-বনজ বাগানের নিকটেই। ইট পোড়ানোর জন্য কাঠের ব্যবহার সম্পূর্ন নিষেধ থাকলেও লোহাগাড়ায় বেশিরভাগ ভাটায় হর হামেশেই লক্ষ লক্ষ ঘনফুট ফলজ ও বনজ কাঠ পোড়ানো হচ্ছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, লোহাগাড়ায় মোট ৪৯টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে একটিরও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। ছাড়পত্র না থাকলেও অবৈধ ইটভাটা মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইট প্রস্তুত ও ইট ভাটা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে তারা পরিবেশের যে মারাত্মক ক্ষতিসাধন করছে তা মানব জীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ।

স্থানীয়রা জানান, যারা এভাবে কাঠ পুড়িয়ে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করছে এবং যে সব ইটভাটার কালো ধোয়া পরিবেশের ক্ষতি করছে, সেই সকল ইটভাটার মালিকদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক এ প্রত্যাশা করি। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করেছেন।

বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর