এই শীতে গরম-গরম পিঠার মজাই আলাদা। ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা কম-বেশি সবারই পছন্দ। বাসায় পিঠা তৈরী করেন অনেকে। কিন্তু গ্রামের বাজারে বা শহরের ফুটপাতের ওপর জমে ওঠা পিঠার মজাই আলাদা। আর তাই সকাল কিংবা বিকেল হলেই অনেকেরই গন্তব্য হয়ে ওঠে রোজিনার পিঠার দোকান। গরম-গরম পিঠার স্বাদ পেতে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় অনেককে। কেউ বসে কেউবা দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন পিঠা। আর এভাবেই পিঠা বিক্রি করে বেশ ভালোই চলছে রোজিনা আক্তারের সংসার। তিন মেয়ে-ছেলে নিয়ে ভালোই আছেন তিনি। তার স্বামী আব্দুল কাদির একজন ভ্যান চালক। দুজনের রোজগারের অর্থ দিয়ে কিনেছেন মাথা গোঁজার ঠাই হিসেবে ভিটা-মাটি। দুটি দো-চালা ঘরে বসবাস তাদের।
কথা হয় রোজিনা আক্তারের সাথে তিনি “বার্তা বাজার ” কে বলেন স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখেই আছি আমি। ৫ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করি। সকলে বেশ মজা নিয়েই আমার দোকানের পিঠা খায়। আমি তাদের বাড়ির পিঠার মত স্বাদ দিতে চেষ্টা করি।
পিঠা খেতে আসা সুমন নামের এক যুবক জানান রোজিনা আপার দোকানের পিঠা আমার কাছে বাড়ির পিঠার মতই মজা লাগে। তাই আমি প্রায় তার দোকানে আসি পিঠা খেতে।
শহরের রৌশনাবাগ থেকে আসা ভোজন রসিক শাহিন নামে এক ব্যাক্তি বলেন আমি এ দোকানে মাঝে-মাঝে আসি পিঠা খেতে। বেশ ভালো লাগে এখানকার পিঠা।