সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য আগামী ৫ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য পুলিশ সপ্তাহে ১১৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিপিএম-পিপিএম পদক দেয়া হবে।
এজন্য যে চূড়ান্ত তালিকা করা হয়েছে তাতে নিজের নাম না দেখে নাখোশ হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন কক্সবাজারের মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর। সেখানে ন্যায়বিচার ও পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
চিঠিতে ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও জলদস্যু আত্মসমর্পনে তার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
গত ২৩ নভেম্বর মহেশখালীর কালারমারছড়ায় পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্রের কারিগরসহ ৯৬ জন ডাকাত আত্মসমর্পণ করে। এ সময় তারা ২০৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪৩০টি গুলি ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম জমা দেয়। এ ঘটনায় মহেশখালী থানায় ৩৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, এমপি, ডিআইজি ও পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।
এসব ডাকাত ও অস্ত্র কারিগরদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে মহেশখালীর দুর্গম পাহাড় ও বঙ্গোপসাগরে চিরুনি অভিযান চালায় থানা পুলিশ। কিন্তু এবার পুলিশের সাহসী কার্যক্রমের জন্য যেসব সাহসী পুলিশদের পুরস্কৃত করার জন্য চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে সেই তালিকায় নেই মহেশখালীর ওসি’র নাম।
এ অবস্থায় ওসি প্রভাষ চন্দ্র বিষয়টি অবহিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নিজের সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য বিপিএম পুরস্কারের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন জানিয়েছেন।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জলদস্যুদের আত্মসমর্পনে বাধ্য করেছি। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশের সুপার ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মহোদয়ের পক্ষ থেকে আমার নাম পুরস্কারের জন্য প্রেরণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি কেন্দ্র থেকে বাদ পড়ে। আমার প্রত্যাশা, আমার অবদানের স্বীকৃতি দেয়া হবে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি