আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপিকে দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ চায় না। এখন বিএনপির জনপ্রিয়তা তলানিতে।
বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শীতার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ সমন্বয় সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ক্ষমতার রাজনীতি করে। ক্ষমতা পেলে সব ঠিক আর ক্ষমতা না পেলে কোনো কিছুই না। তারা তাদের হিসেব মতোই চলে। তারা গণতন্ত্রের ভাষা বোঝে না। বিএনপি আইন মানে না, আদালত মানে না, পার্লামেন্ট মানে না। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ক্ষমতায় যাওয়া। আর ক্ষমতায় গিয়ে লুটপাট করা আবারো হাওয়া ভবন তৈরি করা।
বিএনপির অপরাজনীতির কথা উল্লেখ করে কাদের বলেন, হত্যা,খুনের রাজনীতি করা তাদের পুরনো দিনের অভ্যাস। তারা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এজন্য আমরা তাদের স্বাগত জানিয়েছি। নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার হবে, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। নির্বাচনে হেরে গেলে তারা কারচুপির অভিযোগ করবে। নারায়ণগঞ্জে এতো সুন্দর নির্বাচন তারপরও তারা সুক্ষ কারচুপির অভিযোগ করেছে। এটা তাদের পুরনো অভ্যাস।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে বির্তকিত কেউ থাকলে তাদের খুঁজে বের করে নতুনভাবে দেয়া হবে জানিয়ে কাদের দলের, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের নিয়ে দলের অভ্যন্তরে কিছু কিছু জায়গায় প্রশ্ন উঠাই তাদেকে ফাইন্ড আউট করে যথাযথ প্রার্থীতা ঘোষণা করা হবে। আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সব সিদ্ধান্ত সঠিক নাও হতে পারে। এজন্য তৃণমূল পর্যন্ত আমরা টিমওয়ার্ক করছি। যদি কোথাও বিতর্কিত প্রার্থী থেকে থাকে এবং প্রার্থীদের কার কি অবস্থান আমরা সেগুলো ফাইন্ড আউট করবো এবং যথাযথ প্রার্থী ঘোষণা করার ব্যাপারে সাহায্য সহযোগিতা করবো।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় সদস্য এবি এম রিয়াজুল কবির কাওছারসহ আরো অনেকে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি