টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর চেষ্টা করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা দিয়ে ১২ বছরের লাবন্য আকতার জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। শুধু পরিবার নয়, বাইমাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও লাবন্য আকতার কে নিয়ে এ বিজয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
বাক প্রতিবন্ধী লাবন্য আকতার টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া গ্রামের চায়ের দোকানদার মোঃ লাভলু মিয়ার মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জন্মের পর থেকেই লাবন্য আকতার ও তার ছোট বোন লামিয়া আকতার বাক প্রতিবন্ধী। ছোট বোনও তার মত লেখাপড়ায় ভাল বলে জানা যায়। শুধু লেখা পড়া নয় খেলাধুলাও পারদর্শী। লাবন্য আকতারের উন্নত চিকিৎসা ও আর এক বোনের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে তার হতদরিদ্র পরিবার। তবুও মেয়েদের উচ্চশিক্ষিত করতে চান মা রুমি বেগম।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন বলেন, লাবন্য আকতার অনেক মেধাবী ছাত্রী। সে উন্নত লেখাপড়ার সুযোগ পেলে অনেক দূর অগ্রসর হতে পারবে। লাবন্য আকতার আমাদের গর্ব। আমরা আশা করি, সামনের দিনগুলো তার আরও ভালোভাবে কাটবে এবং ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।
লাবন্য আকতার পিইসি পরীক্ষা দেয় দেওহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস