নতুন বছরে বেরোবিকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা

পূর্ব আকাশে সূর্যের উদয়ন আর পশ্চিম আকাশে সূর্যের অস্তগমন। এভাবেই রাত ও দিনের পালা বদলের ফলে আবারও আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিচ্ছে একটি বছর। বিদায় ২০১৯ সাল। সুখের আশা, নতুন ভাবনা ও নবউদ্দীপনার মণিকোঠায় আবারও সূর্যের আলো উদিত হবে। উদ্ভাসিত হবে পৃথিবীর মানবকুল।

মহাকালের চিরন্তর গতিপ্রবাহে নানা ঘটনার স্মৃতি নিয়ে ২০১৯ সালের বিদায় ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে অতীত হয়ে। আর শুরু হওয়া খৃস্টীয় ২০২০ সালের পরিক্রমা বর্তমানকে আলিঙ্গন করবে। নতুনের প্রতি সব সময়ই মানুষের থাকে বিশেষ আগ্রহ ও উদ্দীপনা। কেননা নতুনের মধ্যে নিহিত থাকে অমিত সম্ভাবনা। আর সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়ণ করার সুযোগ করে দিতেই নতুন বছরের আগমন।

পুরনো বছরের গ্লানি, ব্যর্থতা ও অপারগতাকে ঝেড়ে ফেলে নতুন বছরে নতুন আশা ও কর্মোদ্দীপনা নিয়ে জেগে উঠবে মানুষ। নতুন বছরে বেরোবিকে নিয়ে কি ভাবছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের এই ভাবনার কথা বার্তাবাজার.কম কে জানিয়েছেন তারা।

ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সোহানুর রহমান জানান, “২০২০ আমাদেরকে পরিচ্ছন্নতায় উদ্বুদ্ধ করুক। আমাদের হাত থেকে একটি ময়লাও যেন এ বছরে ক্যাম্পাসের কোথাও উচ্ছিষ্টের জন্ম না দেয়। এটিই হোক ২০২০ এর প্রত্যয়।”

লোক প্রশাসন বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী রুবেল হোসেন আদনান বলেন, ‘নতুন বছরে নতুন স্বপ্ন নিয়ে অগ্রগামী যাত্রার সফল যাত্রী হিসেবে বেরোবির সকল শিক্ষার্থী যেন গড়ে উঠতে পারে সে আশাই করছি এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রানের দাবি একটি গেট , জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, এবং যার নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় সেই মহীয়সী নারীর নামে বেগম রোকেয়া ম্যুরাল স্থাপনা এই ২০২০ সালেই হয়।’

ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী স্বপন মাহমুদ জানান, “নতুন বছরে বেরোবি নতুন করে আন্তর্জাতিকমানে এগিয়ে যাক,প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট সেশনজট মুক্ত হোক। ছাত্র-শিক্ষক,সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্কটা আরো গভীর ও সৌহার্দপূর্ণ হোক।

ইতোমধ্যে বেরোবির নাম সারাদেশব্যাপী সুনামের সহিত ছড়িয়ে গেছে,আমরা যারা বেরোবির ছাত্র-ছাত্রী তারা যেনো ভালো দিকগুলোই রিপ্রেজেন্ট করি।কারন বেরোবি মানেই ভালোবাসা,ভালোবাসা মানেই বেরোবি। বেরোবি সকল ছাত্র-শিক্ষক,কর্সচারী সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা এবং বেরোবির জন্য অফুরন্ত শুভ কামনা।”

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসমিন স্বপ্না বলেন, ‘যে যে জায়গায় থাকে সে জায়গার প্রতি একটা মায়া জন্মে যায় আর সে জায়গাটাকে নিয়ে কেও যদি বিন্দুমাত্র বিদ্রুপ করে তা সহ্য হয়না, কারো সহ্য করার কথাও না।

এবছরে আমার বেরোবি কে নিয়া যেটা প্রত্যাশা তা হলো কেও যেনো এই ভালোবাসার জায়গাটাকে অসম্মান করতে না পারে,কোনো বাইরের মানুষের কাছে যেন ছোট হতে না হয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের। এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হোক নতুন বছর,শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় নয় সৃজনশীলতার বহুমাত্রিক চর্চায় এক আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি অর্জন করুক আমার ভালোবাসার জায়গা বেরোবি। ‘

ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার হাসান তানভীর জানান,” দেখতে দেখতে আরো একটি নতুন বছর,আরো একটি নতুন ব্যাচ এর আগমন। বেরোবি এর শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতি কামনা করি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমুলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে চাই। পাশাপাশি প্রশাসন থেকেও সাহায্য কামনা করি।আশা করি নতুন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরো দৃঢ় হবে।”

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর