বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালি উপজেলায় বিদ্যুতায়নের নিমিত্তে পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্র নির্মানের জন্য ৬০ শতাংশ জমি দান করেছেন ছোট বাইজদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান। মঙ্গলবার দুপুরে গলাচিপা অফিসার্স ক্লাবে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের হাতে তিনি জমির দলিল প্রদান করেন। এসময় পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ পক্ষ থেকে চেয়ারম্যানকে কৃতজ্ঞতার নিদর্শন স্বরুপ একটি ক্রেষ্ট প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসফাকুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুহৃদ সালেহিন, গলাচিপা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নিজাম মোল্লা, পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মনোয়ার কুমার বিশ্বাস, গলাচিপা পল্লী বিদ্যুতের ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন প্রমুখ।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, নদী বেষ্টিত উপজেলা রাঙ্গাবালীতে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পৌছায়নি। ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ শ্লোগানকে প্রধান্য দিয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি রাঙ্গাবালী উপজেলাকে বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ নেয়। প্লান অনুযায়ী তাদের সমস্যা হয় জমি জটিলতায়। পল্লী বিদ্যুতের কাজের সুবিধার্থে যে জমি তারা নির্বাচিত করেন সেখানে ছিল চেয়াম্যানের নিজস্ব জমি। পরে চেয়ারম্যান তার ছেলের প্রস্তাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে ও দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীর সাধারন মানুষের দুভোর্গের কথা চিন্তা করে পল্লী বিদ্যুতকে জমি দান করেন।
ছোট বাইজদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, তার ছেলে মাহমুদ হাসান তাকে জমি দানে উদ্বুদ্ধ করে। এছাড়া তিনি রাঙ্গাবালির সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে জমি দান করেছন।
পটুয়াখালী পল্লী সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মনোয়ার কুমার বিশ্বাস বলেন, চেয়াম্যান জমি দান করে পল্লী বিদ্যুৎ নির্মান কাজটাকে সহজ করে দিয়েছেন। সাড়ে আটশ কিলোমিটার লাইন নির্মানের জন্য ইতিমধ্যে ডিজাইন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই লাইন ও ভবন নির্র্মানের কাজ শুরু করা যাবে।
রাঙ্গাবালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসফাকুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান রাঙ্গাবালীর মানুষের কথা চিন্তা করে জমি দান করে পল্লী বিদ্যুতকে সহায়তার একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। তার প্রতি আমাদের অসীম কৃতজ্ঞতা।