চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের হাতে হস্তান্তর করেছে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে চসিক সম্মেলন কক্ষে বোর্ড কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত হয়ে সিটি মেয়রের নিকট জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড উপসচিব মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, উপবিদ্যালয় পরিদর্শক মোহাম্মদ আবুল বাসার, সহকারী সচিব সম্পাতা তালুকদার সহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (জেএসসি) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।
এ বছর চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিলো ৮১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৪১ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ৫ হাজার ২৩১ জন। তবে শহরের বিদ্যালয় সমূহের তুলনায় পার্বত্য এলাকার বিদ্যালয় সমূহে পাশের হার কম।রাঙামাটি জেলার বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা। তাদের পাসের হার ৭৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। যা বোর্ডের গড় পাসের হারের চেয়ে ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম নগরের পাসের হারের চেয়ে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ কম।
বান্দরবান জেলার বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ। যা বোর্ডের গড় পাসের হারের চেয়ে ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কম।
খাগড়াছড়ি জেলার বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৮০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। যা বোর্ডের গড় পাসের হারের চেয়ে ২ দশমিক ০৫ শতাংশ কম। চট্টগ্রাম জেলা থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৮১ দশমিক ১৬ শতাংশ। যা বোর্ডের গড় পাসের হারের চেয়ে ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম।
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, সুবিধাগত পার্থক্য ও অভিভাবকদের কিছুটা অভাব অসচেতনতার দরুন এমন ঘটেছে। এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নন। তাই জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের ফলাফল কিছুটা পিছিয়ে গেছে।
বার্তাবাজার/এইচ.আর