দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯২ শতাংশ, আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭৬৫ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পেয়ে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে মেয়েরাই এগিয়ে আছে।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের হলরুমে সাংবাদিকদের সামনে জেএসসি পরীক্ষা ২০১৯ এর ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর তোফাজ্জুর রহমান।
শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর তোফাজ্জুর রহমান জানান, এ বছর দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ২৩ হাজার ১৬০ জন এবং গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ১৯ হাজার ৬৬৬ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও এই বোর্ডে এবার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি বলে জানা গেছে।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে ৩ হাজার ২৬৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ০১ শতাংশ এবং ছেলেদের পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
দিনাজপুর বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭৬৫ জন শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে মেয়ের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৮৮ জন এবং ছেলের সংখ্যা ৩ হাজার ২৭৭ জন। গত বছরে জেএসসি পরীক্ষায় এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৬৩ শতাংশ আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৩০৩ জন। তবে গত বছরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবারের তুলনায় কম ছিল। গত বছরে জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩২ জন। আর পাস করেছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭৫৬ জন।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর তোফাজ্জুর রহমান বলেন, ‘এবার জেএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে ইংরেজি এবং গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি অকৃতকার্য হয়েছে। এবছর দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি। তার মধ্যে প গড় জেলায় ৪টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ১টি, ঠাকুরগাঁও জেলায় ১টি, নীলফামারী জেলায় ১টি, লালমনিরহাট জেলায় ১টি এবং দিনাজপুর জেলায় ১টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেনি।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়গুলোতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, পরিদর্শন ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী ও পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে হবে। তাহলেই বিদ্যালয় গুলোতে ফলাফল ভালো হবে। যেসকল বিদ্যালয় থেকে কেউ পাস করেনি তাদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বার্তাবাজার/এইচ.আর