চট্টগ্রামে আকবরশাহ থানাধীন এলাকায় রেলেওয়ের জমি উদ্ধারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযানে নেমেছে ভূ-সম্পত্তি বিভাগ।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল করিমের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়।
আজ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) উচ্ছেদ অভিযানের খবর পেয়ে অবৈধ দখলদারদের মধ্যে অনেকে ভুয়া কাগজপত্র নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান হতে স্বীয় দখলদারিত্ব রক্ষার অনেক চেষ্টা করেন। তবে কাগজপত্রে কেহই উপযুক্ত মালিকানা প্রমাণ করতে পারেননি। ফলে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত ধারায় চলতে থাকে এবং উচ্ছেদ অভিযানে বহু অবৈধ আবাসিক স্থাপনা সহ দোকানপাট ভেঙে ফেলা হয়।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানে বেলা ১২ টা পর্যন্ত প্রায় ২০টিরও অধিক অবৈধ দখলি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত অভিযান চালানোর কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, সারা চট্টগ্রাম জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় থাকা রেলওয়ের জমিজায়গা বিভিন্ন অসৎ ব্যক্তি ক্ষমতার দাপটে অবৈধভাবে দখল করে বাসাবাড়ি সহ দোকানপাট নির্মাণ করে মোটা অঙ্কের টাকা কামাই করতো এবং অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব বাসাবাড়ি ও বস্তির বাসিন্দারা মাদক ব্যবসা হতে শুরু করে সকল প্রকার সন্ত্রাসী ও অপকর্ম চালাতো। যার দরুন রেলওয়ের সম্পদ বিনষ্টের পাশাপাশি সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলায় মারাত্মক বিপর্যয় নেমে আসে।
স্থানীয় প্রশাসন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এসব দুর্নীতি অপকর্ম সম্পর্কে জানলেও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারেনি৷ কিন্তু যে হতে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দেন এবং দল মতের উর্দ্ধে ন্যায় নীতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। সেই হতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এতদিন দরে অবৈধ দখলে থাকা ভূমি উদ্ধারে সক্রিয় হয়ে ওঠে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইতোপূর্বে রেলওয়ের ভূমি উদ্ধারে নগরীর হালিশহর, পাহাড়তলী, সিআরবি সহ অনেক এলাকায় একের পর এক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। যা চলতি মাসে বিজয়ের মাস উপলক্ষে কিছুদিন স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে জানান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল করিম। তবে আজ হতে আবার অভিযান চালু হয়েছে এবং রেলওয়ের সম্পূর্ণ জায়গা উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান মাহবুবুল করিম।
বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস