বিদেশ পাঠানোর নামে প্রতারণা, থানায় অভিযোগ

ওরা চার যুবক। লেখাপড়া শেষ করে কুয়েত যাবার জন্য প্রতারক চক্রের এক সদস্যের নিকট দেয় কুড়ি লক্ষ টাকা। অথচ বিদেশে তো যেতে পারেই নাই, দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে পাওনা টাকা বুঝে নিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে ওই চার যুবক। সম্মুখীন হচ্ছে প্রতারক চক্রের নানা হুমকি ও ভয়-ভীতির।

ভুক্তভোগী চার যুবক ঢাকার দোহার উপজেলার এবং প্রতারক হলো গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ঠাঙ্গার বন এলাকার জনৈক আব্দুল কাইউমের ছেলে শাহাবুল ওরফে শাহ আলম (৪০)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চার যুবকের একজন জামিল মল্লিক (২৮) বাদী হয়ে গতকাল শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। জামিল মল্লিক ঢাকা জেলার দোহার থানার আমতা গ্রামের বাদশাহ মল্লিকের ছেলে।

কালিয়াকৈর থানার লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোঃ জামিল মল্লিক নিজে সহ তার আরও তিন বন্ধুকে কুয়েত পাঠাবে এই মর্মে গত ২০১৭ এর ডিসেম্বরে এবং ২০১৮ এর জানুয়ারিতে শাহাবুল ওরফে শাহ আলমকে কুড়ি লক্ষ টাকা প্রদান করে। এরপর শাহ আলম বিভিন্ন তালবাহানা করে সময়ক্ষেপন করতে থাকে। এরপর কিছুদিন ধরে সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে তার মোবাইলে ফোন করা হলেও সে কল রিসিভ করে না। একপর্যায়ে অন্য লোক মারফত টাকা চাইলে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি প্রদান করে। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ওই বেকার চার যুবকের পক্ষে জামিল মল্লিক কালিয়াকৈর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

এব্যাপারে কালিয়াকৈর এর ঠাঙ্গার বন এলাকায় গেলেও অভিযুক্ত শাহ আলম কে পাওয়া যায় নাই এবং তার বর্তমান ব্যবহৃত মুঠোফোন নাম্বারও সংগ্রহ করা সম্ভব হয় নাই। এজন্য অভিযুক্তের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এই অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগের কপিটি এখনও আমার কাছে আসে নাই। ওটা পেয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বার্তা বাজার / ডব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর